Posts

Showing posts from July, 2025

এসো সঠিক নিয়মে এলাকায় মেহনত করি,,,,

 এসো সঠিক নিয়মে এলাকায় মেহনত করি,,,, মুহাম্মদ মুনীরুজ্জামান ত্বলহা দ্বীনের দ্বীপ্তি  আলহামদুলিল্লাহ, আল্লাহ তাআলা আমাদেরকে ইলমের পথে চালিত করেছেন। মাদ্রাসার ব্যস্ত সময় শেষে যখন বিরতি আসে, তখন সেটি কেবল বিশ্রামের সুযোগ নয় বরং এলাকার মানুষের মধ্যে দীনের দাওয়াত পৌঁছানোর জন্য একটি বিশেষ মওকা। তালেবে ইলমের জন্য বিরতির সময় হলো ইলমি মেহনতের বাস্তব প্রশিক্ষণ নেওয়ার সময়। কুরআন-হাদীসের আলোকে মেহনতের গুরুত্ব ﴿وَمَنْ أَحْسَنُ قَوْلًا مِمَّنْ دَعَا إِلَى اللَّهِ وَعَمِلَ صَالِحًا وَقَالَ إِنَّنِي مِنَ الْمُسْلِمِينَ﴾ “সে ব্যক্তির কথা আর কার চেয়ে উত্তম হতে পারে, যে আল্লাহর দিকে আহ্বান জানায়, সৎকাজ করে এবং বলে আমি মুসলমানদের অন্তর্ভুক্ত।” (সূরা ফুসসিলাত: ৩৩) «بَلِّغُوا عَنِّي وَلَوْ آيَةً» “আমার পক্ষ থেকে একটি আয়াত হলেও পৌঁছে দাও।” (বুখারী) বিরতিতে মেহনতের উদ্দেশ্য নিজেকে দাওয়াতের বাস্তব প্রশিক্ষণে অভ্যস্ত করা এলাকার মানুষদের সঙ্গে সম্পর্ক তৈরি করা মসজিদকেন্দ্রিক পরিবেশ গড়ে তোলা শিশু ও যুবকদের মধ্যে দ্বীনের প্রতি আগ্রহ তৈরি করা নিজের ইলমকে বাস্তব জীব...

বিরতিতে এলাকায় কীভাবে মেহনত করব

 বিরতিতে এলাকায় কীভাবে মেহনত করব মুহাম্মদ মুনীরুজ্জামান ত্বলহা দ্বীনের দ্বীপ্তি  আলহামদুলিল্লাহ, আল্লাহ তাআলা আমাদেরকে ইলমের পথে চালিত করেছেন। মাদ্রাসার ব্যস্ত সময় শেষে যখন বিরতি আসে, তখন সেটি কেবল বিশ্রামের সুযোগ নয় বরং এলাকার মানুষের মধ্যে দীনের দাওয়াত পৌঁছানোর জন্য একটি বিশেষ মওকা। তালেবে ইলমের জন্য বিরতির সময় হলো ইলমি মেহনতের বাস্তব প্রশিক্ষণ নেওয়ার সময়। কুরআন-হাদীসের আলোকে মেহনতের গুরুত্ব আল্লাহ তাআলা বলেন: ﴿وَمَنْ أَحْسَنُ قَوْلًا مِمَّنْ دَعَا إِلَى اللَّهِ وَعَمِلَ صَالِحًا وَقَالَ إِنَّنِي مِنَ الْمُسْلِمِينَ﴾ “সে ব্যক্তির কথা আর কার চেয়ে উত্তম হতে পারে, যে আল্লাহর দিকে আহ্বান জানায়, সৎকাজ করে এবং বলে আমি মুসলমানদের অন্তর্ভুক্ত।” (সূরা ফুসসিলাত: ৩৩) রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন: «بَلِّغُوا عَنِّي وَلَوْ آيَةً» “আমার পক্ষ থেকে একটি আয়াত হলেও পৌঁছে দাও।” (বুখারী) এ থেকে স্পষ্ট যে বিরতিকে শুধু বিশ্রামের সময় না ভেবে, দাওয়াত ও মেহনতের মাধ্যমে উম্মতের উপকারে লাগানো জরুরি। বিরতিতে মেহনতের উদ্দেশ্য নিজেকে দাওয়াতের বাস্তব প্রশিক্ষণে অভ্যস্ত করা এলা...

বিরতিতে কিতাব মুতালাআর পদ্ধতি এবং আকাবিরগণের পন্থা

 বিরতিতে কিতাব মুতালাআর পদ্ধতি এবং আকাবিরগণের পন্থা মুহাম্মদ মুনীরুজ্জামান ত্বলহা দ্বীনের দ্বীপ্তি  আলহামদুলিল্লাহ, তালেবে ইলমের জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হলো কিতাব মুতালাআ। মাদ্রাসায় নিয়মিত পাঠ্যক্রমের বাইরে যখন বিরতি আসে, তখন এটি শুধুমাত্র বিশ্রামের সুযোগ নয়; বরং ইলমে অগ্রসর হওয়ার একটি সুবর্ণ সময়। আকাবিরগণ এই সময়কে সর্বোত্তমভাবে ব্যবহার করতেন। তাদের জীবনধারা থেকে আমরা শিখতে পারি কিভাবে বিরতিতে ইলমের সমৃদ্ধি সম্ভব। মুতালাআর গুরুত্ব কিতাব মুতালাআ শুধু পড়া নয়; বরং এটি ইলমের আসল প্রাণ। ইমাম শাফেয়ী (রহ.) বলেছেন: “যে ব্যক্তি মুতালাআর স্বাদ গ্রহণ করেনি, সে ইলমের আসল মধুরতা পায়নি।” কুরআনে আল্লাহ তাআলা বলেছেন: ﴿قُلْ هَلْ يَسْتَوِي الَّذِينَ يَعْلَمُونَ وَالَّذِينَ لَا يَعْلَمُونَ﴾ “বলুন, যারা জানে এবং যারা জানে না, তারা কি সমান?” (সূরা যুমার: ৯) বিরতিতে মুতালাআর সঠিক পদ্ধতি ১. নিয়ত ঠিক করা মুতালাআ শুরুর আগে নিয়ত করতে হবে যে এটি শুধুমাত্র আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য। ইমাম গাজালী (রহ.) বলেন: “ইলম এমন একটি আমল যা শুধুমাত্র আল্লাহর জন্য শিখতে হয়, অন্যথ...

বিরতিতে কীভাবে বাসায় সময় কাটানো উচিত তালেবে ইলম ভাইদের

 বিরতিতে কীভাবে বাসায় সময় কাটানো উচিত তালেবে ইলম ভাইদের মুহাম্মদ মুনীরুজ্জামান ত্বলহা দ্বীনের দ্বীপ্তি  আলহামদুলিল্লাহ, আল্লাহ তাআলার অসীম কৃপায় একজন তালেবে ইলমের জীবন ইলম ও আমলের বরকতময় সফরে ভরপুর। বছরের নির্দিষ্ট সময়ে পরীক্ষার পর যে ছুটি বা বিরতি মেলে, সেটি শুধুই বিশ্রামের সময় নয়; বরং এটি ইলমকে পুনর্বিন্যাস ও আত্মশুদ্ধির এক গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ। বিরতির গুরুত্ব বিরতির সময় একজন তালেবে ইলমের জন্য এক অমূল্য নেয়ামত। সাধারণত মাদ্রাসার দৈনন্দিন ব্যস্ততা ও ক্লাসের চাপে অনেক ইলমি কাজের জন্য সময় বের হয় না। এই বিরতি ব্যবহার করে তালেবে ইলম তার কিতাব মুতালাআ করতে পারে, কুরআন হিফজ মজবুত করতে পারে এবং পারিবারিক সম্পর্ক দৃঢ় করতে পারে। রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন: “দুই নেয়ামত আছে যাদের ব্যাপারে অনেক মানুষ প্রতারিত হয়: সুস্থতা এবং অবসর সময়।” (বুখারী, হাদীস: ৬৪১২) কুরআন ও হাদীস থেকে নির্দেশনা কুরআনে আল্লাহ তাআলা বলেন: ﴿فَإِذَا فَرَغْتَ فَانصَبْ وَإِلَى رَبِّكَ فَارْغَبْ﴾ “অতএব তুমি যখন অবসর পাও তখন ইবাদতে মনোনিবেশ কর এবং তোমার রবের দিকে মন ফিরিয়ে দাও।” (সূরা ইনশিরাহ: ৭-৮)...

2

 مقدمة تمهيدية: উসূলুল ফিকহের গুরুত্ব ও ভিত্তি আমরা শুরুতে এই বিষয়ে কিছু আলোচনা করতে চাই।যাতে পরবর্তীতে কিতাব টি বুঝতে সহজ হয়। ১. উসূলুল ফিকহ কী উসূলুল ফিকহ হলো এমন একটি ইলম যা ফিকহী হুকুম আহরণের মূলনীতি ও দলীল নির্ধারণের পদ্ধতি শেখায়। অর্থাৎ কুরআন, সুন্নাহ, ইজমা, কিয়াস এবং অন্যান্য শরঈ দলীল থেকে কিভাবে শরঈ হুকুম বের করতে হয় তার নিয়মতান্ত্রিক শিক্ষা হলো উসূলুল ফিকহ। «العلم بالقواعد التي يتوصل بها إلى استنباط الأحكام الشرعية من أدلتها التفصيلية.» — التوضيح والتلويح، ج ١، ص ٥ অর্থাৎ: এমন নীতির জ্ঞান যার মাধ্যমে বিস্তারিত দলীল থেকে শরঈ হুকুম আহরণ করা হয়। ২. উসূলুল ফিকহে সাধারণত কী কী আলোচনা হয় উসূলুল ফিকহে চারটি মূল বিষয় আলোচিত হয়: ١. الأدلة الشرعية: কুরআন, সুন্নাহ, ইজমা, কিয়াস, ইস্তিহসান, ইস্তিসহাব ইত্যাদি দলীলের প্রমাণিকতা ও প্রয়োগ। ٢. الأحكام الشرعية: ফরয, ওয়াজিব, হারাম, মাকরূহ, মুস্তাহাব ইত্যাদি হুকুমের সংজ্ঞা ও কার্যকারিতা। ٣. القواعد الأصولية: আদেশ (الأمر), নিষেধ (النهي), আম-খাস (ا...

1

الخلاصة: أصول الشاشي-এর সারমর্ম ও সামগ্রিক গুরুত্ব الحمد لله رب العالمين، والصلاة والسلام على سيد المرسلين، وعلى آله وصحبه أجمعين. أصول الشاشي হানাফি মাযহাবের উসূলুল ফিকহে একটি মৌলিক কিতাব, যা শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে মাদরাসা দরসে নেজামীতে বিশেষ মর্যাদা লাভ করে এসেছে। আমরা এ পর্যন্ত এই কিতাবের নামকরণ, মুসান্নিফের পরিচয়, উলামাদের মন্তব্য, গবেষণামূলক বৈশিষ্ট্য এবং বাস্তব ফিকহী মাসাইলের উদাহরণ আলোচনা করেছি। এখন আমরা এই সব বিষয়ের সারমর্ম উপস্থাপন করব। ১. কিতাবের নাম ও গুরুত্ব কিতাবটির নাম أصول الشاشي উসুলুস শাসী  "أصول" শব্দটি দ্বারা বোঝানো হয়েছে ফিকহের মূলনীতি, আর "الشاشي" শব্দটি এসেছে মুসান্নিফের নিজ শহর শাশ থেকে। এ নামের মাধ্যমেই স্পষ্ট হয়ে যায় যে এই কিতাবের উদ্দেশ্য হানাফি উসূলুল ফিকহের মূল ভিত্তি ছাত্রদের সামনে তুলে ধরা। «هذا الكتاب في بيان قواعد الأصول على مذهب الإمام أبي حنيفة وأصحابه.» — مقدمة أصول الشاشي মাদরাসা দরসী نظامে এটি প্রাথমিক স্তরের কিতাব হলেও এর আল...

বাবা কাকে বলে?

 বাবা কাকে বলে? ✍ মুহাম্মদ মুনীরুজ্জামান ত্বলহা আজ আমি লিখতে বসেছি এমন একটি সম্পর্ক নিয়ে, যা ওজনে মাপা যায় না, যার শূন্যতা কখনো পূরণ হয় না। আমি লিখছি ‘বাবা’ কাকে বলে— সেই ব্যাখ্যা নিয়ে, যেহেতু আমার বাবা নেই, তাই হয়তো আমি একটু বেশিই জানি, বাবার অভাব কী এবং তার শূন্যতা কতটা গভীর। আমার বাবার নাম ছিল মুহাম্মদ মুসলেহ উদ্দীন তারেক । তিনি জন্মগ্রহণ করেন ১৯৬৮ সালে , তাঁর শিকড় গাঁথা ছিল ময়মনসিংহ বিভাগের কিশোরগঞ্জ জেলার অষ্টগ্রাম থানার আব্দুল্লাহপুর নামক গ্রামে। আমার আব্বুরা ছিলেন সাত ভাই । সকলের নাম আমার মনে নেই, তবে এখনো মনে গেঁথে আছে ইউনুস চাচ্চু ও ফারুক চাচ্চুর নাম। এছাড়াও আমার আব্বুর তিনজন বোন ছিলেন। দুঃখজনক হলেও সত্য, সময়ের নির্মমতায় তাঁদের অনেকেই আজ আর এই পৃথিবীতে নেই। যখন আমার আব্বু ইন্তেকাল করেন, তখন সাত ভাইয়ের মাঝে পাঁচজনই ইন্তেকাল করে গিয়েছেন — তাঁদের মধ্যে আমার আব্বুও একজন। বর্তমানে জীবিত আছেন মাত্র তিনজন চাচ্চু—মুক্তা চাচ্চু, ইউনুস ও ফারুক।মারা গিয়েছেন আমার বড় চাচা,আর ছোটবেলায় মারা গিয়েছে...

মুহাম্মদ মুনীরুজ্জামান ত্বলহা

  মুহাম্মদ মুনীরুজ্জামান ত্বলহা — আমার দীপ্তিময় ইলমী অভিযাত্রা — আমি ছোটবেলা থেকেই আল-কুরআনের আলোয় নিজেকে আলোকিত করার লক্ষ্যে হিফজখানার পথ বেছে নেই। আল্লাহর অশেষ অনুগ্রহে মাত্র দুই বছরের মাঝে হিফজ সম্পন্ন করি এবং শুনানির বছরেও সাফল্যের সঙ্গে অগ্রসর হই। বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে আমি কুরআনের শুদ্ধ তেলাওয়াতে “মুমতাজ” খেতাব লাভ করি, যা আমার আত্মবিশ্বাসকে আরও দৃঢ় করে তোলে। এরপর আমি ইলমে দ্বীনের বিশাল রাজ্যে পদার্পণ করি। মিজান, নাহবেমির, হেদায়াতুন্নাহু, কাফিয়া, শরহে বেকায়া, জালালাইন সহ অসংখ্য কিতাব পাঠ করেছি অধ্যবসায়ের সাথে। দীর্ঘ এক যুগ আমি একটি মাদরাসায় থেকে শিক্ষালাভ করি, বর্তমানে জামিয়া ইসলামিয়া দারুল উলুম রূপগঞ্জ -এ মেশকাত জামাতের ছাত্র হিসেবে ইলমী সফর অব্যাহত রেখেছি। লেখালেখির জগতে আমি প্রবেশ করেছি চিন্তার দীপ্তি নিয়ে। বাংলা ও আরবি—দুই ভাষায়ই বহু প্রবন্ধ রচনা করেছি, সম্পাদনা করেছি “ مفتاح المنطق ” ও “ مفتاح العربية ” নামক কিতাব। ফিকহ ও উসূলসহ বিভিন্ন বিষয়ে মুতাকাদ্দিমীনদের ধারায় চিন্তা ও গবেষণার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। ...

আমার পরিচয়

 আমার পরিচয় মুহাম্মদ মুনীরুজ্জামান ত্বলহা দ্বীনের দ্বীপ্তি  আলহামদুলিল্লাহ, আমার প্রিয় পাঠকবৃন্দ, তোমরা অনেকেই আমার লেখা পড়ে থাকো, এবং অনেকেই তোমাদের মূল্যবান মন্তব্য এবং উৎসাহ দিয়ে থাকো। আমার সাথে যোগাযোগ করো WhatsApp বা মেসেঞ্জারের মাধ্যমে, নানা প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করো, এবং অনেকেই অনুরোধ করেছো এই বিষয়ে একটি বিস্তারিত লেখা লিখতে। বিশেষ করে অনেকেই চেয়েছো, ‘হযরত, আপনার পূর্ণ পরিচয় দিলে আমাদের আরও ভালোভাবে আপনার লেখার সঙ্গে পরিচয় গড়ে উঠবে।’ সেই অনুরোধে আজ আমি আমার জীবনের কিছু গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় নিয়ে তোমাদের সামনে হাজির হচ্ছি। আমি মুহাম্মদ মুনীরুজ্জামান ত্বলহা, জন্মগ্রহণ করেছি ২০০২ সালের ২ ফেব্রুয়ারি, ঢাকা আজিমপুর হাসপাতালে। আমার পিতা ছিলেন মুহাম্মদ মুসলেহ উদ্দিন তারেক এবং মায়ের নাম হাসিনা বেগম। আমার পড়াশোনার শুরুটা ছিল ঘরোয়া পরিবেশে, যেখানে আমার বাবা নিজের হাতে আমাকে পড়াতেন, ছোটদের জন্য যে শিক্ষার সূচনা হয়, সেই সব পাঠ আমাদের প্রথম পাঠশালা ছিল। তাঁর দোয়াতে আমার শিক্ষাজীবন এগিয়ে যায়। ছয় বছর বয়সে আমি বাংলাদেশ ব্যাংক উচ্চ বিদ্যালয়ে প্রথম শ্রেণীতে ভর্তি হই। আম...

প্রভাতবেলায় নিভে যাওয়া শিশুরা: অন্তর কাঁদা স্মৃতির কান্না

 প্রভাতবেলায় নিভে যাওয়া শিশুরা: অন্তর কাঁদা স্মৃতির কান্না মুহাম্মদ মুনীরুজ্জামান ত্বলহা দ্বীনের দ্বীপ্তি  এ যেন কোনো রূপক না, বরং এক বাস্তবতা যা এক মুহূর্তে জলাধারে পরিণত হয়ে ফেটে পড়ে অন্তরের সব কাঁদা স্মৃতি। সেই স্কুলের ক্লাসরুম, সেই ছোট্ট হাসি, সেই শিশুদের খেলার শব্দ—হঠাৎ এক অগ্নির লোলুপ আলোর ঢেউয়ে ঝলসে গেলো সব আর অবশেষে থেমে গেলো সব। ছোট্ট শিশুরা , যারা হয়তো ফজরের পর প্রভাতার খাবার নিয়ে খুশি ছিল, স্বপ্ন দেখছিলো—তারা আগুনে, ধোঁয়ায়, ওই দগ্ধ ক্লাসে মুহূর্তেই ম্লান হয়ে গেলো। আজ সেই প্রিয় মুখগুলো চোখে আসে—যারা নির্ভয়ে টিফিন নিয়ে ক্যান্টিনে দৌড় দিচ্ছিলো, কারও হাতে হয়তো ফুলের টুকরো, কারো মুখে হাসির পূর্ণতা—এখন আছে শুধু তাদের বাবার আহাজারি, মায়ের কান্নার প্রতিধ্বনি, আর খণ্ডিত স্বপ্নময় ছবি। রাতে সেই স্বপ্ন সেই সব বাচ্চাদের চোখে আর আসে না—তারা ভয় পায়, কান্নায় ঢেকে যায়, আর ঘুম আসে না। সকাল হতেই চোখে ধরা দেয় ছোট্ট হাতে পোড়ার গন্ধ, পোশাক ছাড়াই দগ্ধ হয়ে থাকা, বুক ব্যথা, মানুষের হাহাকার। চোখের পানি ও আত্মার অশ্রু —হাত্টা করে ফিরছে সেই পরিবারের। বাবা কাজেই ছুটছিলেন, মা রান্ন...

মাইলস্টোন দুর্ঘটনা: দগ্ধ কান্না, অগ্নি সাহস ও অনন্ত স্মৃতি

 মাইলস্টোন দুর্ঘটনা: দগ্ধ কান্না, অগ্নি সাহস ও অনন্ত স্মৃতি মুহাম্মদ মুনীরুজ্জামান ত্বলহা দ্বীনের দ্বীপ্তি  ২১ জুলাই ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ—ঢাকার উত্তরায় এক অভিশপ্ত বিকেল যা মানব ইতিহাসে একটি কালো অধ্যায় হয়ে থাকবে। বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর F‑7 BGI প্রশিক্ষণ বিমান, যান্ত্রিক ত্রুটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে প্রগাঢ় আগুনের আলোকবর্তিকা হয়ে পড়ল মাইলস্টোন স্কুল ও কলেজ -এর ক্লাসরুমে। দাঙ্গার মতো বিস্ফোরণ, আগুন, আর চারপাশ পুড়তে শুরু করে। এক ধরনের চিৎকার, যেটা ছিল সর্বসাধারণের অন্তর ছুঁয়ে যাওয়ার মতো এক মানবতার আহ্বান। 🔍 কী ঘটেছিল? সকালের ১:০৬ এর মতো বিমান ঢাকা কুর্মিটোলা বেস থেকে routine ট্রেনিং মিশনে যাত্রা শুরু করেছিল। কিছুক্ষণ পরই সিস্টেমে যান্ত্রিক ব্যর্থতা দেখা দেয়, বিমান স্টিয়ারিং নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলে। Flt Lt Md Towkir Islam Sagar শেষ চেষ্টা করেন, জনবহুল এলাকা থেকে বিমানের পথ সরানোর—but ব্যর্থ হয়। বিমান প্রথম সাত তলা ভবনের ছাদে লাফিয়ে পড়ে, পরে দুই তলা অংশে প্রবেশ করে মৃত্যুর আগুন ছড়িয়ে দেয়। ([turn0search7]turn0search33]) দুর্ঘটনায় একা পাইলট নয়, নিহত হয় অন্তত ২৭ জন —যার মধ্যে ২৫ শিশু...

মাইলস্টোন দুর্ঘটনা ও বিচ্ছিন্ন কণ্ঠের কান্না

মাইলস্টোন দুর্ঘটনা ও বিচ্ছিন্ন কণ্ঠের কান্না মুহাম্মদ মুনীরুজ্জামান ত্বলহা দ্বীনের দ্বীপ্তি  ২১ জুলাই ২০২৫—এই অভিশপ্ত বিকেলে ঢাকা উত্তরায় মাইলস্টোন স্কুল ও কলেজে ঘটে যায় এমন একটি দুর্ঘটনা, যা হৃদয়ের গভীরে ছিড়ে দেয় একটি অসীম বেদনার ছোপ। যেভাবে একটি বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর F‑7 BGI প্রশিক্ষণ বিমান ক্লাস চলাকালীন স্কুল ভবনে বিধ্বস্ত হয়ে আতঙ্ক, আগুন ও বিভীষিকা সৃষ্টি করল—সেই স্মৃতি আমাদের ঘিরে প্রতিবাদের, অভিশাপের এবং কখনো ছেড়ে দেয় না এমন শোকের কারণে হয়তো আমরা স্বপ্নেও দেখতে চাই না এবার। ঘটনার দৃশ্যপট প্রায় দুপুর ১:০৬ মিনিটে বজ্রবেগে তুলোর মতো একটি শব্দ, এক ফিসফিস লাফিয়ে ওঠে—তারপরই ধ্বংসের নীড়। এনজার F‑7 BGI বিমানটি খুলনায় প্রশিক্ষণ শেষে উড়ে, নিউট্রাল കണ്ടെത്തে যান্ত্রিক ত্রুটি সীমাহীন হয়ে যায়। ISPR নিশ্চিত করে দুর্ঘটনার কারণ ছিল মেকানিক্যাল ত্রুটি । পাইলট ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট Md Towkir Islam Sagar উন্মোচনে সর্বোচ্চ চেষ্টা করেন, জনবহুল এলাকা থেকে বিমানের পথ সরাতে। তা সম্ভব না হওয়ায় ট্রেন তলানিতে পতনের মুখে পড়ে। পাইলট নিজে নিহত হন, স্কুলে †২৫–৩১ জন প্রাণলাভ ...

পরীক্ষার চিন্তায় খাওয়া-দাওয়া ছেড়ে না দিয়ে বরং খাওয়া-দাওয়ার প্রতি যত্নবান হই

 পরীক্ষার চিন্তায় খাওয়া-দাওয়া ছেড়ে না দিয়ে বরং খাওয়া-দাওয়ার প্রতি যত্নবান হই মুহাম্মদ মুনীরুজ্জামান ত্বলহা দ্বীনের দ্বীপ্তি  প্রিয় ছাত্র ভাইয়েরা আমার, তোমরা আমার প্রাণের চেয়ে প্রিয়। আমি তোমাদেরকে অসীম মহব্বত করি, ভালোবাসি এবং বিশ্বাস করি তোমরা আগামীর দীপ্ত ভবিষ্যৎ। তোমরা জাতির আলো, দীনের দায়িত্ব কাঁধে নিয়ে এগিয়ে চলা ত্বালিবে ইলম। এই জন্যই তোমাদেরকে নিয়ে আমি দিনরাত চিন্তা করি, ফিকির করি, কিভাবে তোমরা উন্নত, দায়িত্ববান, সচেতন এবং কার্যকর একজন মুসলিম হয়ে গড়ে উঠবে। আজকে আমি তোমাদের সামনে এমন একটি বিষয়ে আলোচনা করতে যাচ্ছি, যেটা খুব সাধারণ মনে হলেও বাস্তব জীবনে খুব গুরুত্বপূর্ণ। আর তা হলো—পরীক্ষার সময় খাওয়া-দাওয়া নিয়ে উদাসীনতা ও গাফিলতি। অনেক ছাত্র ভাই পরীক্ষার ভয়ে, টেনশনে, অতিরিক্ত চিন্তায় খাবার ছেড়ে দেয়। কিংবা ঠিকমত ঘুমায় না, বিশ্রাম নেয় না। এটা মোটেই কাম্য নয়। বরং এটা শরীয়তের দৃষ্টিতেও ঠিক নয়, জ্ঞান ও বাস্তবতার দিক থেকেও ক্ষতিকর। শরীর ভালো না থাকলে মনোযোগ থাকবে না যখন একজন ছাত্র দীর্ঘ সময় না খেয়ে পড়ালেখা করে, তখন তার মাথা ক্লান্ত ...

পরীক্ষার সময়ে বেখেয়ালে যেন ভুল না হয়ে যায়

 পরীক্ষার সময়ে বেখেয়ালে যেন ভুল না হয়ে যায় প্রিয় ছাত্র ভাইয়েরা আমার! মুহাম্মদ মুনীরুজ্জামান ত্বলহা দ্বীনের দ্বীপ্তি    তোমরা আমার অনেক আলোচনা শুনেছো এবং পড়েছো। আজকে আমি তোমাদের সামনে একটি গুরুত্বপূর্ণ ও বাস্তবসম্মত বিষয়ে আলোচনা করতে চাই। এ আলোচনা শুধুমাত্র তোমাদের মঙ্গল চিন্তা করে, তোমাদের সফলতা কামনায় করছি। আমি সত্যিই তোমাদেরকে অনেক ভালোবাসি, অনেক মহব্বত করি। তোমাদের চিন্তা আমার হৃদয়ের গভীর থেকে আসে, যেন তোমরা সত্যিকারের আলেম, দ্বীনদার, যোগ্য, আদর্শবান ও ভবিষ্যতের পথপ্রদর্শক হয়ে উঠতে পারো। তোমাদের ভবিষ্যৎ আমার স্বপ্ন। তোমরা পথ হারিয়ে না যাও, ভুলে না পড়ো, এজন্যই আজকের এই আলোচনার সূচনা করছি। পরীক্ষার সময় ছাত্ররা যে ভুলগুলো করে বসে প্রবেশপত্র (Admit Card) বাসায় ফেলে আসা কলম, স্কেল বা প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম না নেওয়া পরীক্ষার সময় ভুল রুমে চলে যাওয়া উত্তরপত্রে নাম, রোল নম্বর ভুল লেখা সময়মতো পরীক্ষা কেন্দ্রে না পৌঁছানো একসাথে অনেক কিছু মুখস্থ করতে গিয়ে গুলিয়ে ফেলা প্রশ্ন না পড়ে উত্তর লেখা শুরু করা সঠিক ...

📘 একটি চিন্তা—পরীক্ষা নিয়ে

📘 একটি চিন্তা—পরীক্ষা নিয়ে بِسْمِ اللّٰهِ الرَّحْمٰنِ الرَّحِيمِ আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহ। প্রিয় ভাই ও বন্ধুগণ, পরীক্ষা—শব্দটা শুনলেই অনেকের বুক ধকধক করে। অনেকের রাতের ঘুম উড়ে যায়, কারো মুখে আর হাসি থাকে না। অথচ পরীক্ষা তো আমাদের জীবনেরই একটা অংশ। একজন তালেবে ইলমের জীবনে পরীক্ষার গুরুত্ব অনেক বেশি, কারণ পরীক্ষা শুধু কাগজে কলমে নয়—জীবনে কী শিখলাম, কীভাবে জীবনকে সাজাবো, সেই যাচাইও। 🎯 পরীক্ষা মানেই ভয় নয়, প্রস্তুতির দরকার আমরা অনেক সময় পরীক্ষাকে ভয় পাই। কিন্তু একবার ভাবো, পরীক্ষাই তো আমাদের শেখা মেপে দেখার সুযোগ দেয়। যারা পরিশ্রম করেছে, তারা পরীক্ষার মাধ্যমে তাদের মেহনতের ফল পায়। তাই পরীক্ষা মানেই ভয়ের কিছু নয়। বরং এটি একেকটা সুযোগ, নিজেকে আরও গুছিয়ে নেওয়ার। 📚 পরীক্ষার পূর্ব প্রস্তুতি: কীভাবে হবে? নিয়মিত পড়াশোনা করো: প্রতিদিন অল্প অল্প করে পড়ো, ভালোভাবে বোঝার চেষ্টা করো। দোয়া ও ইস্তেগফার: পড়াশোনার পাশাপাশি আল্লাহর কাছে সাহায্য চাও। একাগ্রতা রক্ষা করো: অপ্রয়োজনীয় আড্ডা, ফোন, ইউটিউব বন্ধ করো। ...

🕌 মাগরিবের পূর্ব মুহূর্তে দোয়া কবুল হয়

 🕌 মাগরিবের পূর্ব মুহূর্তে দোয়া কবুল হয় 🎙️ এক হৃদয়স্পর্শী বয়ান 🎤 মুহাম্মদ মুনীরুজ্জামান ত্বলহা 🗓️ তারিখ: ২৫ সফর ১৪৪৫ হিজরি | ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৩ ইং সম্মানিত এলাকাবাসী! আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহ। আল্লাহ তায়ালার অশেষ রহমতে আমরা জুমার দিনের একটি মহামূল্যবান সময়ের কথা স্মরণ করতে চাই। সেটি হলো মাগরিবের ঠিক আগে , জুমার দিন শেষ হওয়ার শেষ সময়টি। 🕰️ দোয়ার বিশেষ মুহূর্ত – সহীহ হাদীসের আলোকে রাসূলুল্লাহ ﷺ ইরশাদ করেছেন: "يَوْمُ الْجُمُعَةِ فِيهِ سَاعَةٌ، لاَ يُوَافِقُهَا عَبْدٌ مُسْلِمٌ وَهُوَ قَائِمٌ يُصَلِّي، يَسْأَلُ اللَّهَ شَيْئًا، إِلاَّ أَعْطَاهُ إِيَّاهُ" “জুমার দিন একটি মুহূর্ত রয়েছে, কোনো বান্দা যদি সেই সময়ে দোয়া করে, তবে আল্লাহ তায়ালা অবশ্যই তা কবুল করেন।” — সহীহ বুখারী ও মুসলিম 📚 উলামায়ে কেরামের ব্যাখ্যা অনেক বড় বড় মুফাসসির ও মুহাদ্দিসগণ যেমন: ইমাম নববী, ইবনে কায়্যিম, হাফিজ ইবনে হজর (রহিমাহুমুল্লাহ) ইত্যাদি উলামা বলেছেন: “সবচেয়ে গ্রহণযোগ্য মত হলো, এই সময়টি মাগরিবের আগ মুহূর্তে—আসর থে...

জুমার বয়ান শ্রবণের সমস্যা ও আমাদের করণীয়

 জুমার বয়ান শ্রবণের সমস্যা ও আমাদের করণীয় মুহাম্মদ মুনীরুজ্জামান ত্বলহা দ্বীনের দ্বীপ্তি  ১. জুমার গুরুত্ব ও ফজিলত জুমার দিন মুসলমানদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি দিন। এই দিনে কুরআন ও সুন্নাহর আলোকে মুসল্লিরা আল্লাহর নৈকট্য লাভের জন্য বিশেষ সুযোগ পায়। জুমার বয়ান হল সেই গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম, যার মাধ্যমে আমরা আমাদের ধর্মীয় জ্ঞান বৃদ্ধি করি, নৈতিকতা শিখি, এবং আত্মশুদ্ধির পথ খুঁজে পাই। আল্লাহ তায়ালা কুরআনে বলেছেন, يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا إِذَا نُودِيَ لِلصَّلَاةِ مِن يَوْمِ الْجُمُعَةِ فَاسْعَوْا إِلَىٰ ذِكْرِ اللَّهِ وَذَرُوا الْبَيْعَ ۚ ذَٰلِكُمْ خَيْرٌ لَّكُمْ إِن كُنتُمْ تَعْلَمُونَ অর্থাৎ, হে ঈমানদারগণ! যখন জুমার দিনের নামাজের আহ্বান দেওয়া হয়, তখন আল্লাহর স্মরণে তৎপর হও এবং ব্যবসা-বাণিজ্য ত্যাগ করো। এটা তোমাদের জন্য উত্তম। ২. জুমার বয়ান শোনার সমস্যা ও কারণসমূহ অন্যদিকে, আমাদের মধ্যে অনেকেই জুমার বয়ান মনোযোগ দিয়ে শুনতে পারি না। এর পেছনে বিভিন্ন কারণ থাকতে পারে, যেমন: মনোযোগের অভাব: বয়ানের বিষয়বসয়ী বিষয়ে আগ্রহ না থাকা বা মনোযোগ ধরে রাখতে না পা...

বেফাক পরীক্ষার প্রস্তুতি: মিশকাত জামাতের জন্য নিয়ম-নীতি ও কলাকৌশল

  বেফাক পরীক্ষার প্রস্তুতি: মিশকাত জামাতের জন্য নিয়ম-নীতি ও কলাকৌশল  মুহাম্মদ মুনীরুজ্জামান ত্বলহা দ্বীনের দ্বীপ্তি  ভূমিকা  আমার প্রিয় ছাত্র ভাইয়েরা, আসসালামুআলাইকুম।  আজ আমরা আলোচনা করবো বেফাকের প্রথম সাময়িক পরীক্ষার প্রস্তুতি নিয়ে, বিশেষ করে মিশকাত জামাতের জন্য। এই পরীক্ষা তোমাদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। তাই পরিকল্পিতভাবে প্রস্তুতি নেওয়া এবং পরীক্ষার খাতায় উত্তর সুন্দরভাবে উপস্থাপন করা অত্যন্ত জরুরি। আমরা এখানে আলোচনা করবো কীভাবে তোমরা নিয়ম-নীতি ও কলাকৌশল মেনে পড়াশোনা করবে এবং পরীক্ষায় ভালো ফলাফল অর্জন করবে। এই নিবন্ধে আমরা মিশকাত জামাতের নির্ধারিত সিলেবাসের উপর ভিত্তি করে প্রস্তুতির কৌশল এবং পরীক্ষার খাতায় উত্তর লেখার নিয়ম-নীতি আলোচনা করবো। সিলেবাসে রয়েছে: মিশকাত শরীফের কিতাব আল-আটআমাহ থেকে বিয়ান আল-শেয়ার পর্যন্ত, কিতাব আল-নিকাহ-এর বাব আল-ইলা পর্যন্ত, কিতাব আল-ইমান-এর বাব আল-ইমান ফিল কাদর পর্যন্ত, নখবাহ আল-ফিকর-এর প্রথম ৫০ পৃষ্ঠা, আল-হিদায়াহ ৩-এর কিতাব আল-বিউ থেকে বিয় আল-ফাসাদ পর্যন্ত, আল-হিদায়াহ ৪-এর কিতাব আল-শুফআ থেকে কিতাব আল-লি...

📘 প্রথম সাময়িক পরীক্ষার প্রস্তুতি

 📘 প্রথম সাময়িক পরীক্ষার প্রস্তুতি মিশকাত জামাতের ছাত্রদের প্রতি দরদভরা নসিহত এই বছর যাদের বেফাকুল মাদারিসিল আরাবিয়া বাংলাদেশের পরীক্ষা রয়েছে, তাদের জন্য প্রথম সাময়িক পরীক্ষার গুরুত্ব অপরিসীম। কুরবানির ঈদের পর থেকেই মাদরাসাগুলোতে প্রস্তুতির ঢেউ লেগে গেছে। এই সময়ে কিভাবে পড়াশোনা করবে, কীভাবে পরীক্ষার উত্তর সুন্দরভাবে উপস্থাপন করবে—এই আলোচনাটি মূলত মিশকাত জামাতের ছাত্রদের উদ্দেশ্যে উপস্থাপন করছি। 📖 পাঠ্যসূচি মিশকাত: كتاب الأطعمة থেকে بيان الشعر পর্যন্ত كتاب النكاح: باب الإيلاء পর্যন্ত كتاب الإيمان: باب الإيمان في القدر পর্যন্ত نخبة الفكر: প্রথম ৫০ পৃষ্ঠা الهداية ৩: كتاب البيوع থেকে بيع الفساد পর্যন্ত الهداية ৪: كتاب الشفعة থেকে كتاب اللباس পর্যন্ত شرح العقائد: প্রথম ৭০ পৃষ্ঠা তারীখে দেওবন্দ: শাহ আব্দুল আজিজ (রহ.) পর্যন্ত তাফসীরে বাইযাবি: সূরা ফাতেহা থেকে সূরা বাকারার ৩য় আয়াত পর্যন্ত ...