বাবা কাকে বলে?

 বাবা কাকে বলে?

✍ মুহাম্মদ মুনীরুজ্জামান ত্বলহা

আজ আমি লিখতে বসেছি এমন একটি সম্পর্ক নিয়ে, যা ওজনে মাপা যায় না, যার শূন্যতা কখনো পূরণ হয় না। আমি লিখছি ‘বাবা’ কাকে বলে— সেই ব্যাখ্যা নিয়ে, যেহেতু আমার বাবা নেই, তাই হয়তো আমি একটু বেশিই জানি, বাবার অভাব কী এবং তার শূন্যতা কতটা গভীর।

আমার বাবার নাম ছিল মুহাম্মদ মুসলেহ উদ্দীন তারেক। তিনি জন্মগ্রহণ করেন ১৯৬৮ সালে, তাঁর শিকড় গাঁথা ছিল ময়মনসিংহ বিভাগের কিশোরগঞ্জ জেলার অষ্টগ্রাম থানার আব্দুল্লাহপুর নামক গ্রামে।

আমার আব্বুরা ছিলেন সাত ভাই। সকলের নাম আমার মনে নেই, তবে এখনো মনে গেঁথে আছে ইউনুস চাচ্চুফারুক চাচ্চুর নাম। এছাড়াও আমার আব্বুর তিনজন বোন ছিলেন। দুঃখজনক হলেও সত্য, সময়ের নির্মমতায় তাঁদের অনেকেই আজ আর এই পৃথিবীতে নেই। যখন আমার আব্বু ইন্তেকাল করেন, তখন সাত ভাইয়ের মাঝে পাঁচজনই ইন্তেকাল করে গিয়েছেন — তাঁদের মধ্যে আমার আব্বুও একজন। বর্তমানে জীবিত আছেন মাত্র দুইজন চাচ্চু— ইউনুস ও ফারুক

আমার আব্বু তাঁর শিক্ষাজীবন শেষ করেছেন ১৯৮৮ সালে। তারপর শুরু হয়েছিল তাঁর বাস্তব জীবনের পথচলা— যেখানে দায়িত্ব, ভালোবাসা, ত্যাগ আর সংগ্রামের অজস্র অধ্যায় লেখা হয়েছিল।

 পড়াশোনা শেষ করে তিনি কিছুদিনের জন্য বিদেশগমন করেন তাঁর ঘনিষ্ঠ বন্ধুদের সাথে২০০১ সাল পর্যন্ত তিনি সফর করেন পাকিস্তান, জর্ডানসহ বিভিন্ন দেশ। এই সফরগুলো ছিল তাঁর জীবনের এক স্বর্ণোজ্জ্বল অধ্যায়, যেখানে প্রতিটি দেশ ছিল একেকটি নতুন অভিজ্ঞতার খনি। তাঁর সফরনামাগুলো তিনি হাতে হাতে লিখেও রেখেছিলেন—যার মাধ্যমে আমরা আজও জানতে পারি, তিনি কতটা বিচরণশীল, জ্ঞানপিপাসু এবং স্মৃতিময় একজন মানুষ ছিলেন।

সফর শেষে ২০০১ সালে তিনি বাংলাদেশে ফিরে আসেন এবং আমার মায়ের সঙ্গে শুভ বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। এরপর তাঁর কর্মজীবন শুরু হয়। তিনি একসাথে দুটি চাকরি করতেন—একটি ব্যাংকে, আরেকটি পুলিশ বিভাগে ক্যাশিয়ার হিসেবেসারাদিন কম্পিউটারের সামনে বসে কাজ করা ছিল তাঁর নিয়মিত রুটিন। তিনি পরিশ্রমে ক্লান্ত হতেন না, বরং নিজের কর্তব্যকে ভালোবেসে করতেন নিরলস।

তারপর এল সেই দিনের আলো, যেদিন আমি এই পৃথিবীতে এলাম। ২০০২ সালের ২ ফেব্রুয়ারি, আজিমপুর হাসপাতালে আমি জন্মগ্রহণ করি। আমার জন্মের পর থেকে আব্বু আমাকে ঘিরেই গড়ে তুলেছিলেন ভালোবাসার রাজ্য। আমার কষ্ট হবে এমন কোনো কিছুই তিনি করতে দেননি। তিনি ছিলেন অত্যন্ত স্নেহপরায়ণ এবং আমাদের পরিবারে টাকা-পয়সার কোনো অভাব ছিল না।

আমার আব্বু ছিলেন একজন নম্র, দয়ালু এবং উদার হৃদয়ের মানুষ। তিনি নিয়মিত নামাজ পড়তেন, যদিও হাফেজ ছিলেন না, তবুও ছিলেন তাবলীগের সাথী— একাগ্রতা ও নিষ্ঠার সাথে দ্বীনের কাজ করতেন, মানুষকে দাওয়াত দিতেন, ভালোবাসতেন আল্লাহ ও রাসূলের পথে জীবন গড়ে তুলতে।

 আমার আব্বুর আরেকটি বড় গুণ ছিল দরিদ্রদের প্রতি দয়া ও দানশীলতা। তিনি অসহায় মানুষদের একত্রিত করে তাঁদের জন্য খাবারের আয়োজন করতেন। এই সহানুভূতির দৃশ্য আমি নিজ চোখে দেখেছি—স্মৃতির পাতায় এখনো গাঁথা। এমন অনেক সহযোগিতার ঘটনা তিনি লিখেও রেখেছিলেন, যেগুলো আজও আমাদের পরিবারের কাছে সংরক্ষিত।

তিনি সবসময় আমার ভবিষ্যৎ নিয়ে ভাবতেন, তাই একেবারে ছোটবেলা থেকেই আমাকে কুরআন শিক্ষায় আগ্রহী করে তোলেন। আমি অল্প বয়সেই কুরআন শরীফ পড়ে ফেলি, আর তিনি মসজিদে নিয়মিত নিয়ে যেতেন, কখনো কোনো আলেমের দরস শুনাতেন, আবার কখনো শুক্রবারে ভিন্ন ভিন্ন মসজিদে আমাকে নিয়ে নামাজ পড়াতেন। তাঁর ইচ্ছা ছিল, আমি যেন দ্বীনি ও দুনিয়াবি উভয় জ্ঞানেই সমৃদ্ধ হয়ে উঠি।

আমার আব্বুর ভালোবাসা ছিল খুবই যত্নশীল ও পরিকল্পিত। তিনি আমার স্বাস্থ্য ঠিক রাখার জন্য বিশেষ খাবারের রুটিন বানিয়েছিলেনহরলিক্স, কমপ্ল্যান, দুধ, কাজুবাদাম, কাঠবাদাম, পেস্তা, কিসমিস, ডিম, ঘি, মধু— এমন সব উপাদেয় ও পুষ্টিকর খাবার তিনি নিজ হাতে আমাকে খাওয়াতেন, যেন আমি সবদিক থেকে পূর্ণ বিকশিত হই।

তিনি শুধু একজন দায়িত্ববান বাবা ছিলেন না, বরং ছিলেন একজন প্রেমিক স্বামীও। তিনি আমার আম্মুকে অত্যন্ত শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা করতেন। পরিবারের মধ্যে তিনি আনন্দ ও হাসির উৎস ছিলেন। যখন নানু বাড়ি যেতেন, তখন পুরো বাড়ি মুখরিত হয়ে উঠতো তাঁর উপস্থিতিতে, আবার দাদী বাড়ি গেলেও সবার মুখে হাসি ফোটাতেন। তিনি ছিলেন এমন একজন, যাঁর উপস্থিতি মানেই ছিল আনন্দ, প্রাণ, আর প্রশান্তি

আমার আব্বু মনে মনে স্বপ্ন বুনেছিলেন—আমি একদিন অনেক বড় ডাক্তার হবো। সেই লক্ষ্যে তিনি আমাকে ছোটবেলা থেকেই পড়ালেখার প্রতি আগ্রহী করে তোলেনবাংলা পড়া ও লেখা শেখার জন্য তিনি অদ্ভুত এক কৌশল অবলম্বন করেছিলেন— টিভির নিচে যে নিউজ স্ক্রলিং করে চলে, তা পড়িয়ে পড়িয়ে আমাকে বাংলা শিখিয়েছিলেন। তিনি বলতেন—“দেখি, লাইন শেষ হওয়ার আগেই তুমি পড়ে ফেলতে পারো কিনা।” এতে আমি খুব উৎসাহ পেতাম, কারণ তিনি পুরষ্কার দিতেন

মাত্র পাঁচ বছর বয়স থেকেই তিনি আমাকে প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার প্রস্তুতি দিতেন। বাংলা, অংক, ইংরেজি—এই প্রাথমিক বিষয়গুলো খুব অল্প সময়ে আমি আয়ত্তে আনতে পেরেছিলাম। এরপর তিনি আমাকে ভর্তি করিয়ে দেন বাংলাদেশ ব্যাংক উচ্চ বিদ্যালয়ে। এভাবেই আমাদের দিনগুলো চলছিল প্রেরণা আর ভালোবাসায় ভরপুর।

তিনি আমাকে নানান ধরণের নতুন পোশাক কিনে দিতেনখেলনা, গাড়ি, পাজল, বন্দুক, বল—কি না ছিল! আলহামদুলিল্লাহ, আর্থিক কোনো কষ্ট ছিল না। তবে সবচেয়ে বিস্ময়কর ব্যাপার হলো— তিনি গোপনে অসংখ্য মানুষের সাহায্য করতেন, অথচ আমরা কেউ জানতাম না। তার মৃত্যুর পর তাঁর রেজিস্টার ও নোট খাতা দেখে জানতে পারি, তিনি কীভাবে ঈদে নির্দিষ্ট লোকদের কাপড় দিতেন, শীতে কাদের কম্বল বা জামা দিতে হবে— এসবের হিসাবও সংরক্ষণ করে রাখতেন। এ সবকিছুই তিনি শুধু আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য করতেন, প্রচারহীনভাবে।

বিকাল হলেই আব্বু আমাকে ঘুরাতে নিয়ে যেতেন—কখনো শাপলা চত্বর, কখনো হোটেলে পরোটা বা হালিম খাওয়াতেএইভাবেই সুখে ও শান্তিতে চলছিল আমাদের জীবন। কিন্তু, সত্যিই তো—তকদীর ও ভাগ্য—এ দুটি বাস্তবতা, যাকে এড়ানো যায় না।

 তকদিরের লিখন করা যায় না খন্ডনও । তাই ২০০৮ সালে, আমাদের মুখে অন্ধকার নেমে আসে যখন তিনি আমাদের ছেড়ে এই দুনিয়া থেকে বিদায় নিয়ে আল্লাহর কাছে চলে যান। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাহি রাজিউন। আমরা তার জন্য জান্নাতুল ফেরদৌস কামনা করি, আল্লাহ যেন কবরজীবনকে তার জন্য সুখময় করে দেন এবং আখেরাতে তাকে বিনা হিসেবে জান্নাত দান করেন। আমীন।

তার মৃত্যুর পর বহু লোক জানিয়েছে যে তিনি জীবিত থাকাকালীন অনেকের ব্যয়ভার নিয়েছিলেন, অনেককে টাকা-পয়সা এবং বিভিন্ন সহায়তা দিয়ে তাদের সহযোগিতা করেছিলেন। এসব তথ্য তার মৃত্যুর পর প্রকাশ পেয়েছে।

আমার আব্বু বিভিন্ন বিষয়ে কবিতা লিখতেন, যেগুলো আমি ছেলে হিসেবে যত্নসহকারে সংরক্ষণ করার চেষ্টা করেছি। যদিও তখন আমি খুব ছোট, মাত্র ছয় বছর বয়স, যখন আমার আব্বু মারা যান।

কিশোরগঞ্জে তাকে দাফন করার সময় আমি তাকে মাটির প্রণাম জানিয়েছিলাম, তখন বয়সের কারণে আমি পুরো উপলব্ধি করতে পারিনি, কিন্তু এখন বড় হয়ে বুঝতে পারি যে যার বাবা নেই, তার জীবনে কতটা অমার্জনীয় কষ্ট ও বেদনা লুকিয়ে থাকে।

যখন আমি দেখি অন্য ছেলেদের বাবা তাদের নিয়ে বাজারে যায়, তাদের খুশি করে, প্রতিষ্ঠান বন্ধ হলে তাদের নিজ বাসায় নিয়ে যায়, বাবা-ছেলে একসাথে খুনসুটি করে, রাস্তায় হাঁটে, একসাথে খাওয়া-দাওয়া করে— তখন আমার চোখ থেকে অঝোর ধারায় অশ্রু ঝরে পড়ে

কাউকে কিছু বলতে পারি না, শুধু সয়ে যাই। সহ্য করে যাই। এমন কষ্ট সেই পায় যার বাবা নেই।

প্রত্যেকটা সন্তান যার বাবা জীবিত আছে, তারা তো বাবা বলে ডাকতে পারে, টাকা লাগলে ফোন দিয়ে বলে, "বাবা আমার টাকা লাগবে, টাকা পাঠিয়ে দাও।" যেকোনো সময়, যেকোনো বিপদে তারা তার বাবার পাশে পায়। কিন্তু আমি, ছোটবেলায় বাবাকে হারিয়েছি, আজও পর্যন্ত বাবা হিসেবে কেউ আমাকে ডাক দেয়নি।

ছোটবেলার কথা মনে পড়ে—আব্বু আব্বু বলে ডাকতেন, কিন্তু এই আব্বু আব্বু আজ আর কেউ ডাকে না। যত বড় হচ্ছি, হৃদয়ের বেদনা ততই গভীর হয়ে ক্ষত হয়ে ওঠে। দিন যত যায়, ততই বুঝতে পারি এই বেদনা কতটা মারাত্মক।

আল্লাহর তৌফিকে আমি হাফেজ হয়েছি, তাই তার জন্য কুরআন খতম করে সওয়াব পাঠানোর চেষ্টা করি, সবসময় দুই হাত তুলে চোখের পানি ফেলে দোয়া করি, সালাতুল হাজত নামাজ পড়ি। আমি চেষ্টা করছি যেন আমি ولد صالح হই। যেন তিনি কবরে প্রশান্তি পান এবং জান্নাতে আমরা একসাথে থাকতে পারি। হয়তো এই দুনিয়ায় কখনো তাকে পাবো না, তবে জান্নাতে ইনশাআল্লাহ একসাথে বাপ-বেটা ঘুরবো, থাকবো। আল্লাহ কবুল করুন।

সবচেয়ে বড় কষ্ট হয়েছিল যখন মারকাজুল ইলমি ওয়াদ দাওয়াহ বাংলাদেশ-এ তিনটি অভিভাবক সম্মেলন হয়েছিল। তখন আমি ওই মাদ্রাসায় পড়তাম। সেই সম্মেলনে প্রত্যেক ছাত্র তার বাবাকে নিয়ে এসেছিল, একসাথে খেয়েছিল, মসজিদে নিয়ে গিয়ে বাবার বয়ান শোনানোর জন্য। কিন্তু আমি হতভাগা, সবকিছু তাকিয়ে দেখেছিলাম—আমার কোন বাবা ছিল না, কোন অভিভাবক ছিল না। সেদিন কেউ আমাকে দেখতে আসেনি, কেউ আমার সাথে খেতে পারেনি। শুধু দু চোখের পানি পড়েছিল। অন্যরা যেন দেখে না, তাই লুকিয়ে লুকিয়ে কাঁদতাম।

মাগরিবের পর থেকে যে গজল শুরু হতো, সবাই আনন্দ করত যে তার বাবা আসবে, কিন্তু আমি আড়ালে থাকার চেষ্টা করতাম। আহ, সেই কষ্টের কথা কীভাবে বুঝাবো! সারাদিন মন খারাপ থাকতো, অন্যদের সন্তানদের দেখে আফসোস হতো—তারা "বাবা, বাবা" বলে ডাকতে পারে, বাবার সাথে খেতে, ঘুরতে পারে, শেষ বেলায় বাবাকে বাসায় যাওয়ার জন্য এগিয়ে দেয়, কিন্তু আমি হতভাগা, শুধু চোখের পানি ফেলতে পারতাম।

তাই আমি অনুরোধ করব এই সন্তানদের যাদের বাবা এখনো দুনিয়াতে বেঁচে আছে তোমরা তোমাদের বাবার কদর কর তোমরা তোমাদের বাবার সাথে সম্পর্ক রাখো তোমরা তোমাদের বাবার সাথে কখনো খারাপ ব্যবহার করো না তোমরা তোমাদের বাবাকে একদম বন্ধুর মত সম্পর্ক করো খুবই মধুর সম্পর্ক কর তুমি তুমি করে তোমার বাবাকে সম্বোধন করো তোমার বাবার খেদমত করো তোমার বাবার যখন যা প্রয়োজন তুমি তার প্রয়োজনে ঢাল হয়ে যাও। তুমি তোমার বাবার কাছে যাও তোমার বাবার কাছে গিয়ে সান্ত্বনা দাও। তার মন খারাপ থাকলে তার মন ভালো করার চেষ্টা করো। তাকে বল যে বাবা তুমি আমাকে অনেক দিয়েছো আজকে তোমার জন্য আমি এই উপহার এনেছি বাবা যতটুকু দিয়েছো হয়েছে আমাকে আর দেওয়া লাগবে না। বাবাকে বল যে বাবা আল্লাহ আমাদেরকে অনেক দিয়েছেন সুতরাং তুমি চিন্তা ফিকির টেনশন করো না পরিবারের জন্য। তুমি তোমার বাবার কাছে সহযোগিতা কর দেখবে আল্লাহ তোমার সন্তানকে ঐরকমই বানাবেন যেই সন্তান তোমার চোখের শীতলতা হবে।এই যে কথাগুলো যখন আমি লিখছি তখন আমার দু চোখের পানি গড়িয়ে পড়ে গিয়েছিল। দু চোখের পানি আমার এই মোবাইলের স্ক্রিনে পড়েছে। তখন আমি হাত দিয়ে সে পানি মুছে দিয়েছি। অশ্রু বিজড়িত কন্ঠে আমি লেখাগুলো তোমাদেরকে লিখে পাঠালাম। শুধুমাত্র এই উদ্দেশ্যেই লেখা যে তোমরা তোমাদের বাবাকে কদর করবে সম্মান করবে। আমার মনে অনেক কথার ঢেউ খেলে যাচ্ছে কিন্তু সময় এবং সুযোগ দুটোই কম যার কারণে বাধ্য হয়ে আমার কলম বন্ধ করতে হচ্ছে। আজ এই পর্যন্তই ইনশাআল্লাহ পরবর্তীতে আবার এই বিষয়ে লেখা আসবে। আল্লাহ কবুল করুন সবাইকে সবাই সুস্থ থেকো ভালো থেকো এবং আমার জন্য তোমাদের অন্তরের অন্তস্থল থেকে দোয়া করো। বিশেষ করে আমার বাবার জন্য তোমরা দোয়া করবে যেই বাবা মুনীরুজ্জামান নামে একজন সন্তানকে রেখে গিয়েছে এই দুনিয়ার বুকে সেই সন্তান যেন আল্লাহর জন্য ইসলামের জন্য নিজের জীবনকে বিলীন করে দিতে পারে। এবং ইলমের খেদমতে নিজেকে সঁপে দিতে পারে।

Comments

Popular posts from this blog

“দ্বীনের দীপ্তি: ইসলামের মূল শিক্ষা”

স্মৃতির প্রাঙ্গণ ও মাধুর্যের ঋণ

📘 প্রথম সাময়িক পরীক্ষার প্রস্তুতি