Posts

English Learning: একটি নতুন দিগন্তের সূচনা ইংরেজি শেখা আজকের পৃথিবীতে আর বিলাসিতা নয়, এটি একটি প্রয়োজন (necessity)। আমরা এমন এক যুগে বসবাস করছি যেখানে জ্ঞান, প্রযুক্তি (technology), ব্যবসা (business), শিক্ষা (education), গবেষণা (research), আন্তর্জাতিক যোগাযোগ (international communication)—প্রায় সব ক্ষেত্রেই ইংরেজির প্রভাব রয়েছে। তুমি যদি ইংরেজি জানো, তোমার সামনে পৃথিবীর দরজা খুলে যাবে। আর যদি না জানো, তবে অনেক সুযোগ (opportunity) হাতছাড়া হবে। কিন্তু একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন হলো—আমরা ইংরেজি কেন শিখব? শুধু পরীক্ষায় পাশ করার জন্য? না। শুধু চাকরি পাওয়ার জন্য? না। আমরা ইংরেজি শিখব নিজের উন্নতির জন্য, আত্মবিশ্বাস (confidence) বাড়ানোর জন্য, এবং সবচেয়ে বড় কথা—দ্বীনের খেদমতের (service of Islam) জন্য। আজ দুনিয়ার বহু মানুষ ইসলাম সম্পর্কে ভুল ধারণা পোষণ করে। যদি তুমি English-এ দক্ষ হও, তুমি Qur'an-এর message, Hadith-এর teachings, ইসলামের সৌন্দর্য (beauty of Islam) সারা পৃথিবীতে পৌঁছে দিতে পারবে। একজন দাঈ (caller to Islam) যদি English জানে, তার দাওয়াতের পরিধি বহুগুণ বেড়ে যায...

পরিবার: এক মহান আমানত, এক হৃদয়ের হিসাব

পরিবার: এক মহান আমানত, এক হৃদয়ের হিসাব মুহাম্মদ মুনীরুজ্জামান ত্বলহা (দ্বীনের দ্বীপ্তি) প্রতিটি পরিবার একটি আমানত। এটি কেবল রক্তের সম্পর্কের সমষ্টি নয়; এটি দায়িত্ব, ভালোবাসা, করুণা ও জবাবদিহিতার এক পবিত্র বন্ধন। আল্লাহ তাআলা আমাদের যাদের হাতে তুলে দিয়েছেন—আমার স্ত্রী, আমার সন্তান, আমার মা-বাবা—তারা কেউই আমার সম্পত্তি নয়; তারা আমার কাছে অর্পিত আমানত। কিয়ামতের দিন এই আমানতের হিসাব হবে। আমরা প্রায়ই ভাবি—আমি উপার্জন করি, সংসার চালাই, দায়িত্ব পালন করি। কিন্তু প্রশ্ন হলো: আমি কি হৃদয়ের দায়িত্ব পালন করছি? আমি কি ভালোবাসার হক আদায় করছি? আমি কি তাদের মুখে হাসি ফোটাতে পেরেছি, নাকি অজান্তেই তাদের চোখে অশ্রু এনেছি? আল্লাহ তাআলা কুরআনে বলেন: ﴿يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا قُوا أَنفُسَكُمْ وَأَهْلِيكُمْ نَارًا﴾ “হে ঈমানদারগণ! তোমরা নিজেদের এবং তোমাদের পরিবারকে জাহান্নামের আগুন থেকে রক্ষা কর।” (সূরা তাহরীম ৬৬:৬)। এই আয়াত আমাদের মনে করিয়ে দেয়—পরিবার কেবল দুনিয়ার আরাম-আয়েশের জন্য নয়; আখিরাতের নাজাতের পথও পরিবারের ভেতর থেকেই শুরু হয়। আমি যদি নিজে নামাজ না পড়ি, কুরআন না তিলাওয়...

“চুরি থেকে তাওবা: এক হৃদয়ের জাগরণের আহ্বান”

“চুরি থেকে তাওবা: এক হৃদয়ের জাগরণের আহ্বান” মুহাম্মদ মুনীরুজ্জামান ত্বলহা (দ্বীনের দ্বীপ্তি) আমরা প্রায়ই এমনভাবে জীবন যাপন করি যেন এই দুনিয়া আমাদের স্থায়ী আবাস, যেন মৃত্যু আমাদের দরজায় কখনো কড়া নাড়বে না। হৃদয়ের গভীরে কোথাও আমরা ভুলে যাই—আমরা মুসাফির, আমরা অস্থায়ী। অথচ আল্লাহ তাআলা কুরআনে স্পষ্টভাবে ঘোষণা করেছেন: ﴿كُلُّ نَفْسٍ ذَائِقَةُ الْمَوْتِ﴾ “প্রত্যেক প্রাণীকেই মৃত্যুর স্বাদ গ্রহণ করতে হবে।” (সূরা আলে ইমরান ৩:১৮৫)। এই আয়াত কেবল একটি ঘোষণা নয়, এটি এক জাগরণী ধ্বনি। মৃত্যু অবশ্যম্ভাবী, ফিরে যাওয়া অবধারিত, হিসাব অনিবার্য। তবুও আমরা এমনভাবে পাপ করি যেন জাহান্নামের আগুন কেবল গল্প, যেন কবরের অন্ধকার কেবল কল্পনা। চুরি—এটি কেবল একটি অপরাধ নয়; এটি একটি বিশ্বাসঘাতকতা, এটি একটি জুলুম। কেউ হয়তো বলে, “আমি গরিব, আমি এতিম, আমি অভাবী। আমার তো উপায় নেই।” কিন্তু প্রশ্ন হলো—অভাব কি হারামকে হালাল করে দেয়? ক্ষুধা কি অন্যের হক নষ্ট করার অনুমতি দেয়? যদি আমি কারও সম্পদ চুরি করি, তা সে সামান্য হোক বা বিশাল, আমি কি ভেবেছি তার হৃদয়ের কষ্টের কথা? হয়তো সেই টাকায় তার সন্তানের ওষুধ কেনা...