মনের মাঝে স্বপ্ন এঁকেছি ২

 মনের মাঝে স্বপ্ন এঁকেছি ২

মুহাম্মদ মুনীরুজ্জামান ত্বলহা (দ্বীনের দীপ্তি)


বাংলাদেশের প্রতিটি জনগণের প্রতি আমার আহ্বান 🌸

আমি আমার প্রিয় বাংলাদেশকে ভালোবাসি। শুধু এই দেশের মাটি, নদী কিংবা সবুজ প্রকৃতিকেই নয়; আমি ভালোবাসি এ দেশের প্রতিটি মানুষকে। এই বাংলার প্রতিটি মুখ, প্রতিটি স্বপ্ন, প্রতিটি সংগ্রাম আমার হৃদয়কে স্পর্শ করে। আমি অন্তর থেকে বিশ্বাস করি— একটি দেশের প্রকৃত শক্তি তার দালান-কোঠা কিংবা সম্পদে নয়; বরং তার জনগণের মেধা, পরিশ্রম, সততা ও কর্মস্পৃহায় লুকিয়ে থাকে।

আমার সবচেয়ে বড় স্বপ্ন হলো— বাংলাদেশের প্রতিটি মানুষ কর্মমুখর হোক। একজন যুবকও যেন বেকার না থাকে। প্রতিটি তরুণ-তরুণী, যারা পড়াশোনা শেষ করেছে, তারা যেন নিজেদের যোগ্যতা ও মেধা অনুযায়ী কাজের সুযোগ পায়। কেউ যেন হতাশ হয়ে ঘরে বসে না থাকে। কেউ যেন নিজের স্বপ্নকে ধীরে ধীরে নিভে যেতে না দেখে।

আজ আমি বিশেষভাবে সেইসব তরুণদের কথা বলছি, যারা দীর্ঘদিন লেখাপড়া করার পরও কোনো কাজ খুঁজে পাচ্ছে না। যারা পরিবারকে নিয়ে দুশ্চিন্তায় দিন কাটায়। যাদের চোখে স্বপ্ন আছে, যোগ্যতা আছে, ইচ্ছাশক্তি আছে— কিন্তু সুযোগ নেই। আবার এমন অনেকেই আছেন, যারা আর্থিক সমস্যা বা পারিবারিক কারণে মাঝপথে পড়াশোনা থামিয়ে দিতে বাধ্য হয়েছেন। তারাও কাজ করতে চান, নিজের পরিবারকে সহায়তা করতে চান, কিন্তু উপযুক্ত পথ খুঁজে পান না।

আমি যখন সমাজের দিকে তাকাই, তখন গ্রামের অলিগলি থেকে শুরু করে শহরের ব্যস্ত রাস্তাগুলো পর্যন্ত অসংখ্য যুবকের নীরব কষ্ট দেখতে পাই। তারা কাজ করতে চায়, কিছু করতে চায়, কিন্তু সঠিক দিকনির্দেশনা ও সুযোগের অভাবে ধীরে ধীরে হতাশার অন্ধকারে হারিয়ে যাচ্ছে। অথচ আমাদের দেশে কাজের অভাব নেই। অভাব হলো সঠিক পরিকল্পনার, সঠিক উদ্যোগের এবং প্রতিটি মানুষকে তার যোগ্যতা অনুযায়ী কাজে লাগানোর।

আমাদের প্রত্যেকের মাঝেই কোনো না কোনো প্রতিভা রয়েছে। কেউ প্রযুক্তিতে দক্ষ, কেউ ব্যবসায়, কেউ কৃষিতে, কেউ শিল্পে, কেউ শিক্ষাক্ষেত্রে, আবার কেউ সৃজনশীল কাজে। যদি রাষ্ট্র প্রতিটি মানুষের দক্ষতাকে মূল্যায়ন করে এবং তার যোগ্যতা অনুযায়ী কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করে, তাহলে বেকারত্ব অনেকাংশেই কমে আসবে ইনশাআল্লাহ।

আমি বিশ্বাস করি, একটি উন্নত জাতি গড়ে ওঠে তখনই, যখন রাষ্ট্র তার প্রতিটি নাগরিককে সম্পদ হিসেবে দেখে। একজন যুবক যখন কর্মহীন থাকে, তখন শুধু একটি মানুষ নয়— একটি পরিবার কষ্ট পায়, একটি সমাজ দুর্বল হয়, একটি দেশের অগ্রগতি থেমে যায়। তাই রাষ্ট্রের দায়িত্ব হওয়া উচিত প্রতিটি নাগরিককে কর্মমুখী করে তোলা, তাদের দক্ষতা উন্নয়নের সুযোগ দেওয়া এবং কর্মসংস্থানের পথ সহজ করা।

আমাদের তরুণ সমাজ যদি সঠিকভাবে কাজে যুক্ত হতে পারে, তাহলে বাংলাদেশ একদিন বিশ্বের সামনে মাথা উঁচু করে দাঁড়াবে। এই যুবকরাই হবে দেশের উন্নয়নের মূল শক্তি। তাদের হাতেই গড়ে উঠবে একটি শিক্ষিত, সমৃদ্ধ, শান্তিপূর্ণ ও আত্মনির্ভরশীল বাংলাদেশ।

আমি চাই— আমাদের দেশের প্রতিটি যুবক নিজের মেধার মূল্য পাক, নিজের পরিবারকে সম্মানের সাথে চালাতে পারুক এবং নিজের দেশকে ভালোবেসে দেশের উন্নয়নে অবদান রাখুক। কারণ একটি জাতির ভবিষ্যৎ নির্ভর করে তার যুবসমাজের ওপর।

🌿 “যে জাতি তার যুবকদের কর্মের সুযোগ দিতে পারে, সেই জাতিই একদিন উন্নতির সর্বোচ্চ শিখরে পৌঁছে যায়।” 🌿

বেকারত্ব, সমাজের দৃষ্টিভঙ্গি এবং আমাদের ভবিষ্যৎ 🌿

আমাদের প্রিয় বাংলাদেশ আজ অসংখ্য সম্ভাবনার দেশ। এই দেশের মাটিতে জন্ম নেওয়া তরুণদের চোখে রয়েছে স্বপ্ন, হৃদয়ে রয়েছে আশা, আর মেধার ভাণ্ডারেও কোনো কমতি নেই। কিন্তু অত্যন্ত দুঃখের বিষয় হলো— সেই মেধাবী তরুণদের একটি বড় অংশ আজ বেকারত্বের কষ্টে নিঃশব্দে ভেঙে পড়ছে। কেউ দীর্ঘদিন পড়াশোনা করেছে, কেউ এইচএসসি, অনার্স কিংবা উচ্চশিক্ষা সম্পন্ন করেছে, কিন্তু জীবনের বাস্তব ময়দানে এসে তারা যেন পথ হারিয়ে ফেলছে।

আমাদের সমাজে বহু যুবক রয়েছে যারা বছরের পর বছর সরকারি চাকরির আশায় আবেদন করে যাচ্ছে। তারা একের পর এক পরীক্ষা দিচ্ছে, প্রস্তুতি নিচ্ছে, স্বপ্ন দেখছে— কিন্তু নানা সীমাবদ্ধতা, প্রতিযোগিতা, দুর্নীতি, অপ্রতুল কর্মসংস্থান কিংবা ভাগ্যের নির্মম পরিহাসে কাঙ্ক্ষিত চাকরিটি আর পাওয়া হয়ে ওঠে না। আবার অনেকে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কাজ করতে চাইলেও আর্থিক সংকট, দক্ষতার অভাব, সুযোগের স্বল্পতা অথবা সামাজিক অবস্থার কারণে সেখানেও নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করতে পারে না।

সবচেয়ে কষ্টের জায়গাটি তখন তৈরি হয়, যখন একজন শিক্ষিত তরুণ নিজের ভেতরে এক ধরনের মানসিক দ্বন্দ্ব অনুভব করতে শুরু করে। সে ভাবে— “আমি এত পড়াশোনা করেছি, এখন কীভাবে কৃষিকাজ করব? কীভাবে রিকশা চালাব? কীভাবে রাজমিস্ত্রি বা কাঠমিস্ত্রির কাজ করব?” সমাজও অনেক সময় এসব পেশাকে ছোট করে দেখে, অপমানজনক মনে করে। ফলে তরুণদের অনেকেই বাস্তব কাজের জগতে প্রবেশ করতে সংকোচবোধ করে। অথচ পৃথিবীর কোনো সৎ কাজই ছোট নয়।

একজন কৃষক আমাদের খাদ্য উৎপাদন করেন, একজন রাজমিস্ত্রি আমাদের ঘর তৈরি করেন, একজন কাঠমিস্ত্রি সমাজের প্রয়োজনীয় জিনিস তৈরি করেন, একজন রিকশাচালক মানুষের যাতায়াত সহজ করেন— তারা প্রত্যেকেই সমাজের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনকভাবে আমরা কাজের মর্যাদার চেয়ে পদবির মর্যাদাকে বড় করে দেখার অভ্যাস তৈরি করেছি। আর এই ভুল মানসিকতাই বহু তরুণকে কর্মহীনতার দিকে ঠেলে দিচ্ছে।

বেকারত্ব শুধু অর্থনৈতিক সমস্যা নয়; এটি একটি সামাজিক ও মানসিক সংকটও বটে। দীর্ঘদিন কাজহীন থাকার ফলে একজন যুবকের আত্মবিশ্বাস ভেঙে যায়, হতাশা জন্ম নেয়, পারিবারিক চাপ বাড়ে এবং অনেক সময় সে ভুল পথের দিকেও ঝুঁকে পড়ে। সমাজে অপরাধ, মাদকাসক্তি, হতাশা ও অস্থিরতার অন্যতম কারণগুলোর একটি হলো কর্মসংস্থানের অভাব।

আমি মনে করি, রাষ্ট্রের দায়িত্ব শুধু চাকরির বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা নয়; বরং দেশের প্রতিটি তরুণকে তার যোগ্যতা অনুযায়ী কোনো না কোনো কর্মক্ষেত্রের সাথে যুক্ত করে দেওয়া। কেউ সরকারি চাকরি না পেলে তাকে যেন বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে সুযোগ দেওয়া হয়। কেউ শিক্ষকতায় দক্ষ হলে তাকে শিক্ষাক্ষেত্রে যুক্ত করা হোক, কেউ প্রযুক্তিতে দক্ষ হলে প্রযুক্তি খাতে, কেউ ব্যবসায় আগ্রহী হলে ক্ষুদ্র ঋণ ও প্রশিক্ষণের মাধ্যমে তাকে উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তোলা হোক।

আমাদের দেশের প্রতিটি জেলা, উপজেলা ও গ্রামে কর্মমুখী প্রশিক্ষণ কেন্দ্র গড়ে তোলা প্রয়োজন। তরুণদের শুধু সনদ নয়, বাস্তব দক্ষতা শেখানো জরুরি। আধুনিক প্রযুক্তি, ফ্রিল্যান্সিং, কৃষি উন্নয়ন, শিল্পকারখানা, ক্ষুদ্র ব্যবসা, কারিগরি শিক্ষা— এসব ক্ষেত্রকে আরও সহজ ও বিস্তৃত করতে হবে।

আমি এমন একটি বাংলাদেশ কল্পনা করি, যেখানে কোনো যুবক বেকার থাকবে না। প্রত্যেক মানুষ সম্মানের সাথে কাজ করবে, নিজের পরিবারকে সুন্দরভাবে পরিচালনা করবে এবং দেশের উন্নয়নে ভূমিকা রাখবে। যখন দেশের প্রতিটি মানুষ কর্মে ব্যস্ত থাকবে, তখন দেশের অর্থনীতি শক্তিশালী হবে, সমাজে শান্তি বৃদ্ধি পাবে এবং বাংলাদেশ বিশ্বের দরবারে আরও সম্মানিত অবস্থানে পৌঁছে যাবে, ইনশাআল্লাহ।

আমাদের মনে রাখতে হবে— কাজ কখনো মানুষকে ছোট করে না; বরং কর্মহীনতা ও অলসতাই মানুষকে দুর্বল করে দেয়।

🌸 “যে জাতির তরুণ সমাজ কর্মমুখী, সেই জাতির ভবিষ্যৎ কখনো অন্ধকার হতে পারে না।” 🌸 প্রতিটি মানুষের জন্য কর্মসংস্থান — একটি উন্নত বাংলাদেশের স্বপ্ন 🌿

আমাদের সমাজে এমন অসংখ্য মানুষ আছেন, যারা নানা বাস্তবতার কারণে পড়াশোনার সুযোগ পাননি। কেউ দারিদ্র্যের কঠিন আঘাতে ছোটবেলাতেই বই-খাতা ছেড়ে জীবিকার সন্ধানে নেমে পড়েছেন। কেউ অসুস্থতার কারণে শিক্ষা থেকে দূরে সরে গেছেন। কারো পরিবার ছিল এতটাই অসচ্ছল যে, স্কুল কিংবা মাদ্রাসার দরজায় পৌঁছানোর আগেই জীবনের কঠিন সংগ্রাম তাকে গ্রাস করেছে। আবার কেউ পারিবারিক দায়িত্ব, নানামুখী ব্যস্ততা কিংবা সামাজিক সংকটের কারণে শিক্ষাজীবন চালিয়ে যেতে পারেননি।

কিন্তু একটি বিষয় আমাদের গভীরভাবে উপলব্ধি করতে হবে— শিক্ষা না পাওয়ার অর্থ এই নয় যে একজন মানুষ অযোগ্য। সনদ না থাকলেই কেউ সমাজের বোঝা হয়ে যায় না। প্রতিটি মানুষই আল্লাহর সৃষ্টি, প্রতিটি মানুষের ভেতরেই কোনো না কোনো যোগ্যতা, শ্রমশক্তি ও সম্ভাবনা লুকিয়ে আছে।

আমি এমন একটি বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখি, যেখানে কোনো মানুষ কর্মহীন থাকবে না। যে মানুষটি লেখাপড়া করতে পারেনি, তাকেও যেন সমাজের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে গড়ে তোলা হয়। কেউ হোটেলে কাজ করবে, কেউ পরিচ্ছন্নতাকর্মী হিসেবে শহর পরিষ্কার রাখবে, কেউ নিরাপত্তাকর্মী হবে, কেউ রাতের ডিউটিতে মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে, কেউ কৃষিকাজ করবে, কেউ পরিবহন খাতে কাজ করবে— কিন্তু কেউ অলস ও বেকার হয়ে পড়ে থাকবে না।

কারণ কর্মই মানুষের মর্যাদা বৃদ্ধি করে। পরিশ্রম মানুষের জীবনকে সুন্দর করে। একটি সৎ উপার্জন মানুষের আত্মসম্মানকে বাঁচিয়ে রাখে। পৃথিবীর কোনো হালাল কাজই ছোট নয়; ছোট হলো কর্মবিমুখতা, অলসতা এবং দায়িত্বহীনতা।

আজ আমরা যে শহরে বাস করি, সেই শহরের পরিচ্ছন্ন রাস্তা, নিরাপদ পরিবেশ, চলমান যানবাহন, নির্মাণাধীন ভবন, হোটেল-রেস্টুরেন্ট, বাজার ও শিল্পকারখানার পেছনে অসংখ্য সাধারণ শ্রমজীবী মানুষের ঘাম জড়িয়ে আছে। অথচ সমাজের অনেক মানুষ তাদের কাজকে সম্মানের চোখে দেখে না। এটি আমাদের মানসিকতার একটি বড় দুর্বলতা।

একটি উন্নত রাষ্ট্র তখনই গড়ে ওঠে, যখন রাষ্ট্রের প্রতিটি নাগরিককে কাজের সাথে সম্পৃক্ত করা যায়। তাই আমি মনে করি, সরকারের সবচেয়ে বড় দায়িত্বগুলোর একটি হওয়া উচিত— দেশের কোন কোন খাতে লোক প্রয়োজন, কোন কোন সেক্টর এখনো অচল বা দুর্বল অবস্থায় আছে, কোথায় নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা সম্ভব— সেগুলোর একটি পূর্ণাঙ্গ তালিকা তৈরি করা।

রাষ্ট্র যদি পরিকল্পিতভাবে প্রতিটি জেলার, প্রতিটি উপজেলার, এমনকি প্রতিটি গ্রামের কর্মক্ষম মানুষদের নিয়ে জরিপ পরিচালনা করে, তাহলে সহজেই বোঝা যাবে— কোথায় দক্ষ লোকের অভাব, কোথায় শ্রমশক্তির প্রয়োজন, কোন খাতকে সচল করতে নতুন কর্মী দরকার।

আমাদের দেশে কৃষি, মৎস্য, পরিবহন, নির্মাণ, পরিচ্ছন্নতা, পর্যটন, নিরাপত্তা, শিল্পকারখানা, কারিগরি কাজ, ক্ষুদ্র ব্যবসা, অনলাইনভিত্তিক কাজসহ অসংখ্য সম্ভাবনাময় ক্ষেত্র রয়েছে। প্রয়োজন শুধু সঠিক পরিকল্পনা, প্রশিক্ষণ এবং মানুষকে কাজের প্রতি উৎসাহিত করা।

যদি রাষ্ট্র প্রতিটি মানুষকে কোনো না কোনো কর্মে যুক্ত রাখতে পারে, তাহলে শুধু বেকারত্বই কমবে না; বরং সমাজে অপরাধও কমে যাবে, হতাশা কমবে, পারিবারিক অশান্তি কমবে এবং দেশের অর্থনীতি আরও শক্তিশালী হয়ে উঠবে।

আমি এমন এক বাংলাদেশ দেখতে চাই, যেখানে কোনো যুবক কিংবা মধ্যবয়সী মানুষ কাজের অভাবে অসহায় হয়ে বসে থাকবে না। বরং প্রত্যেকে নিজের সামর্থ্য অনুযায়ী দেশের উন্নয়নে অবদান রাখবে। কেউ হয়তো কলম দিয়ে কাজ করবে, কেউ হাতের শ্রম দিয়ে, কেউ প্রযুক্তি দিয়ে, কেউ সেবা দিয়ে— কিন্তু সবাই মিলে এই দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাবে।

আমাদের মনে রাখতে হবে— একটি জাতির প্রকৃত শক্তি শুধু তার বড় বড় ভবনে নয়; বরং তার কর্মঠ মানুষের মাঝে লুকিয়ে থাকে।

🌸 “প্রতিটি মানুষের হাতে কাজ তুলে দিতে পারলেই একটি দেশ সত্যিকারের উন্নতির পথে এগিয়ে যায়।” 🌸

Comments

Popular posts from this blog

স্মৃতির প্রাঙ্গণ ও মাধুর্যের ঋণ

📘 প্রথম সাময়িক পরীক্ষার প্রস্তুতি

🌸 শুরু কথা: ফুলের মত সুন্দর জীবন