ইংরেজি ভাষা শিখার অমূল্য যাত্রা ও অভিজ্ঞতা

 

ইংরেজি ভাষা শিখার অমূল্য যাত্রা ও অভিজ্ঞতা

আলহামদুলিল্লাহ, আল্লাহ তাআলার অশেষ রহমত ও মেহেরবানীর জন্য আমি বিশেষ শুকরিয়া আদায় করি। তাঁর দান ও তাওফিকের মাধ্যমে, কিছুদিনের নিয়মিত মেহনত এবং ধৈর্য্যপূর্ণ প্রচেষ্টার ফলে ইংরেজি ভাষা আমার জন্য অনেকটা সহজ হয়ে গিয়েছে। আসলে বর্তমান সময়ে ইংরেজি ভাষার গুরুত্ব অপরিসীম। এটি শিক্ষার একটি অপরিহার্য অংশ এবং সময়ের দাবি।

এক সময়, এই ভাষা শিখার জন্য আমার মধ্যে প্রচণ্ড আগ্রহ এবং প্রত্যাশা ছিল। সেই আগ্রহ ও অনুপ্রেরণায়ই আমি ভর্তি হয়েছি ইংরেজি কোচিং সেন্টারে। সেখানে কিছুদিন সময় কাটিয়ে, প্রাথমিক স্তরের সহজ লেকচার শিখার সুযোগ পেয়েছি। আলহামদুলিল্লাহ, ধীরে ধীরে কাঙ্খিত ফলাফলও দেখতে পেয়েছি।

বিশেষভাবে আমি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করি আমাদের মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান স্যার এর প্রতি, যিনি অত্যন্ত মেহনত করে ছাত্রদের জন্য পথপ্রদর্শক হয়েছেন। তিনি সর্বদা চিন্তা করেন কিভাবে ছাত্রদের ইংরেজি ভাষায় দক্ষতা অর্জনে সাহায্য করা যায়। তাঁর এই পরিশ্রম, দিকনির্দেশনা এবং মেহনত আমার শেখার যাত্রাকে অনেক সমৃদ্ধ করেছে।

এই দীর্ঘ সময়ের মধ্যে, যদিও আমার যেহেতু নিজস্ব লেবাস ও জীবনাচার রয়েছে, তাই সাধারণ শিক্ষায় শিক্ষিত ছাত্রদের সাথে একসাথে কোচিং করতে বসা কিছুটা আফসোসজনক মনে হয়েছিল। তবে শিক্ষার প্রয়োজনীয়তার কারণে সেই সময়ে আমি সতর্কভাবে বসেছিলাম, গুনাহ ও অনৈতিক আচরণ থেকে নিজেকে দূরে রেখেছি। আলহামদুলিল্লাহ এই দীর্ঘ সময়ে আমি কোনো মেয়ের সঙ্গে কথা বলিনি, ইচ্ছে করেও কারো দিকে নজর দিইনি।

আমি আমার মতো করে ইংরেজি শিখেছি, সময়মতো লেকচার দিয়েছি এবং পড়াশোনা শেষ করে আবার চলে এসেছি। তবে এই পুরো যাত্রায় আমি সচেতনভাবে কোনো অযথা সম্পর্ক, গল্প, আড্ডা বা সামাজিক গাফিলতি থেকে নিজেকে বিরত রেখেছি। কারণ, মানুষের চোখে আমার লেবাসের বদনাম না হয়, কারো অন্তরে বিদ্বেষ বা শত্রুতা জন্ম না নেয়, সেজন্য আমি সর্বদা সতর্ক ছিলাম।

আজ আমি বলতে পারি, আলহামদুলিল্লাহ, আমার কাঙ্খিত উদ্দেশ্য সফল হয়েছে। যতটুকু শেখার আগ্রহ ছিল, তা পূর্ণ হয়েছে। এই উপলব্ধির পর থেকে আমি সাধারণ কোচিং বা সামাজিক বসার ক্ষেত্রে সাবধান থাকব এবং অনধিকার কোনো কাজে নিজেকে ব্যস্ত করব না, ইনশাআল্লাহ।

ভবিষ্যতে, যদি আল্লাহ তাআলা ইচ্ছা করেন এবং আমাকে বড় বড় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বা কলেজে ইংরেজি ভাষায় ইসলামিক বিষয়ে লেকচার দেওয়ার তাওফিক দেন, তখন বিষয়টি ভিন্ন হবে। তখন উদ্দেশ্য হবে শুধুমাত্র ইসলামিক শিক্ষার বাণী মানুষের সামনে উপস্থাপন করা, কোনো ব্যক্তিগত আগ্রহ নয়।

শেষে, আমি আল্লাহর কাছে দোয়া করি, তিনি আমাকে এবং সকল মুসলিমকে খাঁটি উদ্দেশ্য, ধৈর্য্য, ও নেক উদ্দেশ্য অর্জনে তাওফিক দান করুন। আমীন।

Comments

Popular posts from this blog

“দ্বীনের দীপ্তি: ইসলামের মূল শিক্ষা”

স্মৃতির প্রাঙ্গণ ও মাধুর্যের ঋণ

📘 প্রথম সাময়িক পরীক্ষার প্রস্তুতি