স্যারদের মেহনত ও আমার অঙ্গীকার
স্যারদের মেহনত ও আমার অঙ্গীকার
আলহামদুলিল্লাহ, আল্লাহ তায়ালার অশেষ মেহেরবাণী যে, আমি আজ কিছুটা হলেও ইংরেজি বলার সুযোগ পেয়েছি। এর পেছনে সবচেয়ে বড় অবদান আমাদের সম্মানিত শিক্ষক মনিরুজ্জামান স্যারের। তিনি অক্লান্ত পরিশ্রম ও নিরলস প্রচেষ্টায় আমাদেরকে আলোকিত করছেন। তার যত্নশীল দিকনির্দেশনা, অনুপ্রেরণার ভাষা এবং প্রতিটি মুহূর্তে সাহস জোগানোর জন্য আমি তার প্রতি গভীর কৃতজ্ঞ। তার মেহনত আমাকে বারবার মনে করিয়ে দেয়—এই জীবনের প্রতিটি ধাপে আমাকে সামনে এগিয়ে যেতে হবে, দমে গেলে চলবে না।
আরেকজন মহামূল্যবান সঙ্গী, শাহেদ স্যার। তার কথা কি আর বলবো! তিনি যেন প্রতিটি মুহূর্তে আমার অন্তরে নতুন আশা জাগান, আমার ভেতরে আলোর প্রদীপ জ্বালিয়ে দেন। তার মূল্যবান পরামর্শ আমার হৃদয়ে দিকনির্দেশনার আলোকবর্তিকা হয়ে জ্বলে ওঠে। যখন তিনি বলেন কিভাবে ইংরেজি লেখার দক্ষতা বাড়াতে হয়, কিভাবে কথোপকথনে ভাব প্রকাশ করতে হয়, কিভাবে সাবলীলভাবে ইংরেজি বলা যায়—তখন আমার ভেতর এক অনন্য উৎসাহ জন্ম নেয়। তার প্রতিটি উপদেশ আমার মনে সাহসের বীজ বুনে দেয়।
আমি সত্যিই গর্বিত, কারণ আমি একদিকে মনিরুজ্জামান স্যারের হাতে গড়া ছাত্র, অন্যদিকে শাহেদ স্যারের ভালোবাসার স্পর্শে গড়ে উঠছি। আমি তাদেরকে শুধু শিক্ষক মনে করি না, বরং হৃদয়ের অন্তঃস্থল থেকে ভালোবাসি। তারা যেন আলোকবর্তিকা, যারা আমার অন্ধকার দূর করছে এবং আমাকে যোগ্যতার পূর্ণাঙ্গ স্তরে পৌঁছে দেওয়ার জন্য আপ্রাণ চেষ্টা করছেন।
ইনশাআল্লাহ আমি তাদের এই চেষ্টা ব্যর্থ হতে দেব না। আমি তাদের স্বপ্ন পূরণের সহযাত্রী হবো। যখন দেখি আমার সহপাঠীরা ইংরেজিতে সাবলীলভাবে লেকচার দিচ্ছে, তখন আমার ভেতরে নতুন শক্তি সঞ্চার হয়। আমি আশা করি, একদিন আমিও সেই মঞ্চে দাঁড়িয়ে একইভাবে ইংরেজি পরিবেশন করতে পারব, যেমনটা তারা আজ করছে। মনিরুজ্জামান স্যার ও শাহেদ স্যারের মেহনত, ত্যাগ ও দোয়া অবশ্যই আমাকে সফলতার শীর্ষে নিয়ে যাবে। ইনশাআল্লাহ।
Comments
Post a Comment