আমেনা আপু—টিএমটির গর্ব, মনিরুজ্জামান স্যারের সোনালী সৃষ্টি
আমেনা আপু—টিএমটির গর্ব, মনিরুজ্জামান স্যারের সোনালী সৃষ্টি
ভূলতা গাউছিয়ার বুকে আলোকবর্তিকার মতো প্রতিষ্ঠিত টিএমটি বাংলাদেশ, যার নেপথ্যে রয়েছেন আমাদের সম্মানিত চেয়ারম্যান ও প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক, প্রিয় মনিরুজ্জামান স্যার। তাঁর অক্লান্ত শ্রম, অশেষ ধৈর্য ও অবিচল পরিশ্রমের ফসল আজ আমরা দেখতে পাচ্ছি। বহু শিক্ষার্থী আজ ইংরেজিতে দক্ষ, আত্মবিশ্বাসী এবং যোগ্য বক্তা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে। এ যেন এক বিশাল শিক্ষার অঙ্গনে নতুন দিগন্তের উন্মোচন।
এই সোনালী কারিগরের হাতে গড়া এক উজ্জ্বল নক্ষত্রের নাম আমেনা। তার ইংরেজি বলার সাবলীলতা, আকর্ষণীয় ভঙ্গিমা ও মুগ্ধকর কৌশল সত্যিই বিস্ময়কর। যখন সে মঞ্চে দাঁড়ায়, তার প্রতিটি শব্দ যেন ঝরঝরে মুক্তার দানা হয়ে ছড়িয়ে পড়ে। শোনার পর মনে হয়—সে যেন কোনো ইংরেজ দেশেরই প্রকৃত কণ্ঠস্বর। তার প্রতিটি বাক্য গড়ে ওঠে সৌন্দর্যের অলংকারে, প্রতিটি উচ্চারণ জ্বলে ওঠে যোগ্যতার দীপ্তিতে।
আমেনার বলার ভঙ্গি, তার মুখের ভাষা, তার যুক্তির ধারা—সব মিলিয়ে যেন এক শিল্পকর্ম। ইংরেজি বলার ক্ষেত্রে কোনো বাধা তাকে থামাতে পারে না, সে কোথাও আটকে যায় না। এই আত্মবিশ্বাসই প্রমাণ করে, সে কতখানি যোগ্য এবং কতখানি প্রস্তুত। গ্রাম নিয়ে তার বর্ণনা শুধু শব্দের খেলা নয়, বরং তা ছিল হৃদয়ের কাব্য, মনের গভীরতা আর চেতনার উচ্ছ্বাস। গ্রামীণ জীবনের উজ্জ্বল রূপ সে যেন ক্যানভাসে এঁকেছে ইংরেজি শব্দের তুলি দিয়ে।
আমেনা শুধু একজন ছাত্রী নয়; সে টিএমটি বাংলাদেশের গর্ব, আমাদের সবার অনুপ্রেরণা, মনিরুজ্জামান স্যারের শিক্ষাদানের সোনালী প্রতিচ্ছবি।
আমরা বিশ্বাস করি, আমেনার ভবিষ্যৎ হবে দীপ্তিময়, সফলতার অসংখ্য পালক দিয়ে সাজানো। তার প্রতিটি পদক্ষেপ আলোকিত করবে শুধু তার নিজের নয়, বরং টিএমটির প্রতিটি শিক্ষার্থীর পথ। তার কৃতিত্ব যেন প্রমাণ করে দেয়—মনিরুজ্জামান স্যারের স্বপ্ন বাস্তব রূপ পাচ্ছে, আর তার মেহনত সফল হচ্ছে।
আমরা দোয়া করি, আমেনা যেন তার জ্ঞানের আলো দিয়ে সমাজকে আলোকিত করে, দেশের মান বাড়ায়, এবং তার প্রতিটি উচ্চারণ যেন কুরআনের তেলাওয়াতের মতো মধুরতায় ভরে ওঠে। পাশাপাশি আমরা কামনা করি, টিএমটি বাংলাদেশের প্রতিটি ছাত্র-ছাত্রীকে আল্লাহ তাআলা কবুল করুন, তাদের প্রত্যেককে যোগ্যতার শীর্ষে পৌঁছে দিন। আর যিনি এই সব সাফল্যের প্রকৃত কারিগর, সেই প্রিয় মনিরুজ্জামান স্যারকে আল্লাহ দুনিয়া ও আখেরাতে দ্বিগুণ প্রতিদান দিন, তাঁর পরিবারের ওপর বরকত দান করুন এবং তাঁকে জান্নাতুল ফেরদাউসের উচ্চ মর্যাদা দান করুন। আমীন।
ইংরেজি শেখার এ সফরে আমরা সবাই গর্বিত যে আমরা মনিরুজ্জামান স্যারের হাতে গড়া ছাত্র। তাঁর তত্ত্বাবধানে আমাদের পথচলা আলোর দিগন্তে উড়ছে, আর তার উজ্জ্বল প্রমাণ আজকের এই আমেনার দীপ্ত কণ্ঠস্বর।
তাই আপনাদের প্রতি আমাদের আন্তরিক আহ্বান—অবশ্যই আপনারা আপনাদের সন্তানকে টিএমটি বাংলাদেশে পাঠাবেন, যদি চান আপনার সন্তানের ঠোঁটেও ইংরেজি সাবলীলভাবে ঝরে পড়ুক, যদি চান সে-ও আমেনার মতো দীপ্ত কণ্ঠে বক্তৃতা দিয়ে জাতিকে ধন্য করুক। ভূলতা গাউছিয়ায় প্রতিষ্ঠিত এই বিদ্যাপীঠে পাঠালে, মনিরুজ্জামান স্যারের স্নেহময় তত্ত্বাবধানে, আপনার সন্তান শুধু পড়াশোনা করবে না, বরং আত্মবিশ্বাসী ও যোগ্য হয়ে উঠবে।
আমাদের স্যার কেবল শিক্ষক নন; তিনি প্রতিটি শিক্ষার্থীকে নিজের সন্তান মনে করেন। স্নেহ, আদর আর অশেষ যত্নে তিনি আমাদের ভবিষ্যৎ উজ্জ্বল করার জন্য দিন-রাত চেষ্টা করেন। তাই আসুন, আপনার সন্তানকেও এই আলোয় ভাসিয়ে দিন, যেন সে-ও যোগ্যতায়, নৈতিকতায়, আর ইংরেজি বলার জগতে আমেনার মতো উজ্জ্বল নক্ষত্র হয়ে উঠতে পারে।
Comments
Post a Comment