আলহামদুলিল্লাহ, আমি ইংরেজি শিখে ফেলেছি – একটি আত্মপ্রত্যয়ী সফর

 ✨ আলহামদুলিল্লাহ, আমি ইংরেজি শিখে ফেলেছি – একটি আত্মপ্রত্যয়ী সফর

লেখক: মুহাম্মদ মুনীরুজ্জামান ত্বলহা

আলহামদুলিল্লাহ! ধাপে ধাপে আমি ইংরেজি শিখে ফেলেছি। গতকাল শুক্রবার ও আজ শনিবার ছিল আমাদের স্পেশাল ক্লাস, যা অনুষ্ঠিত হয় টিএমটি বাংলাদেশ কোচিং সেন্টারে। এটি গাউছিয়াতে অবস্থিত।

আমাদের প্রধান শিক্ষক মুনীরুজ্জামান স্যার অত্যন্ত আন্তরিকতা, আগ্রহ ও গুরুত্ব দিয়ে আমাদের পড়ান। তাঁর ক্লাসে উপস্থিত হলে মনে হয়, তিনি যেন আমাদের ভবিষ্যতের জন্য রাত-দিন চিন্তা করছেন।

আমি সাধারণত রবি, সোম, মঙ্গল ও বুধ—এই চার দিন ক্লাস করি। ধাপে ধাপে তাঁর সাহায্যে এবং অনুপ্রেরণায় আমার ইংরেজি ভাষা এখন প্রায় পুরোপুরি আয়ত্তে চলে এসেছে। অনেক কিছু শিখেছি যা একসময় কল্পনাও করতে পারিনি। ইনশাআল্লাহ, স্যারের ছায়া ও সহযোগিতা অব্যাহত থাকলে আগামী ৪-৫ মাসের মধ্যেই বাংলা ভাষার মতই ইংরেজিতে সাবলীলভাবে কথা বলতে পারব।

আজকের স্পেশাল ক্লাসে আমার সাথে ছিলেন আমার সাথী ভাই সাইদুল ইসলাম। তিনি একজন মেধাবী ও ভদ্র ছাত্র। আমাদের ক্লাসে আরও অনেক ভাই ও বোন রয়েছেন যারা আমার মতোই ইংরেজি শেখার চেষ্টা করছেন।

এই ক্লাসে গিয়ে আমি শিখেছি—কীভাবে সবার সামনে বক্তব্য দিতে হয়, কীভাবে সঠিক উচ্চারণে ইংরেজি বলতে হয়, এবং কীভাবে ভয় ছাড়াই আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে কথা বলা যায়। কিভাবে নিজের লজ্জা কে পিছনে ফেলে সামনে এগিয়ে যাওয়া যায়। কিভাবে সবার সামনে উপস্থাপন করতে হয়। নিজেকে কিভাবে যোগ্য করে তুলতে হয়। ইত্যাদি অনেক বিষয়কে আমি অনুধাবন করতে পেরেছি।।

শুধু ভাষা নয়, আমি শিখেছি একজন আদর্শ শিক্ষক কীভাবে ছাত্রছাত্রীদের যত্ন, ভালোবাসা ও কৌশলের মাধ্যমে পড়াতে পারেন। প্রতিটি পাঠ ও উপস্থাপনার মধ্যে ছিল শিক্ষা, অনুপ্রেরণা ও কৌশল। পুরস্কারের মাধ্যমে মেধা ও আগ্রহকে আরও জাগিয়ে তোলার কৌশলও আমরা শিখেছি।

এইসব কৃতিত্বের পুরো দাবিদার আমাদের মুনীরুজ্জামান স্যার। তিনি আমাদের পেছনে অনেক শ্রম দেন, পরিশ্রম করেন, চিন্তা করেন—আমরা কীভাবে দ্রুত ইংরেজি শিখে সমাজে আলোর আলো ছড়াতে পারি।

আজকের ক্লাসে ছিলেন আরও দুইজন বিশেষ শিক্ষক — শাহেদ স্যার এবং সূচনা আপা। শাহেদ স্যার আমাকে ছোট ভাইয়ের মতো আদর করেন। সূচনা আপা আজ আমাদেরকে A to Z পর্যন্ত সঠিক উচ্চারণ ও উদাহরণসহ শেখান। আল্লাহ তাআলা তাদের উভয়কেই মেধা ও মননশীলতা দান করেছেন।

আমি দোয়া করি, আল্লাহ তাআলা মুনীরুজ্জামান স্যার ও তাঁর সহকারী ওস্তাদদেরকে এই উম্মতের জন্য রাহবার (পথপ্রদর্শক) হিসেবে কবুল করুন। টিএমটি বাংলাদেশ যেন শুধু দেশেই নয় বরং বিশ্বব্যাপী আলোড়ন সৃষ্টি করতে পারে। দ্বীনের আলো এবং সঠিক ইংরেজি যেন প্রতিটি ঘরে পৌঁছে যায়, সেই তাওফিক দান করুন।

আমীন ইয়া রব্বাল আলামীন।

Comments

Popular posts from this blog

“দ্বীনের দীপ্তি: ইসলামের মূল শিক্ষা”

স্মৃতির প্রাঙ্গণ ও মাধুর্যের ঋণ

📘 প্রথম সাময়িক পরীক্ষার প্রস্তুতি