❝নারী অধিকার নয়, নারীবিনাশ: নারী বিষয়ক সংস্কার ও কমিশন বাতিল করা আবশ্যক❞
❝নারী অধিকার নয়, নারীবিনাশ: নারী বিষয়ক সংস্কার ও কমিশন বাতিল করা আবশ্যক❞
ভূমিকা
নারী জাতিকে স্বাধীনতার মিষ্টি ভাষায় ঘরছাড়া করা হয়েছে, অথচ ইসলাম তাদের দিয়েছিল ঘরের ছায়ায় সম্মান ও নিরাপত্তা। আজ যে 'নারী কমিশন' ও তথাকথিত 'সংস্কার' চলছে, তা এক গভীর ষড়যন্ত্রের নাম—যার লক্ষ্য নারীর হৃদয় থেকে ঈমান, চোখ থেকে পর্দা এবং সংসার থেকে শান্তি ছিনিয়ে নেওয়া।
ইসলামের আলোকে নারীর মর্যাদা
“জান্নাত মায়ের পায়ের নিচে।” – হাদীস
ইসলাম নারীর প্রতি যে মর্যাদা দিয়েছে তা কেবল কথার ফুলঝুরি নয়, বরং বাস্তবের নিরাপত্তার ছায়া। মা, মেয়ে, বোন, স্ত্রী—প্রতিটি রূপেই নারীকে সম্মানিত করেছে ইসলাম।
নারী কমিশন ও সংস্কারের অন্তরালের কাহিনী
- 🔹 ইসলামী পর্দাকে 'রক্ষণশীলতা' বলে অস্বীকার করা
- 🔹 পরিবার ব্যবস্থাকে 'গোঁড়ামি' রূপে তুলে ধরা
- 🔹 নারীর উপার্জনকে মুখ্য করে পুরুষের ভূমিকাকে অস্পষ্ট করা
- 🔹 শরীয়াহ সম্মত তালাক ও উত্তরাধিকারে হস্তক্ষেপ
সমাজে এর ফলাফল
আধুনিকতার নামে সংসার ভাঙছে, সন্তানরা হচ্ছেন পথহারা, আর নারী হচ্ছেন একাকীত্বের শিকার। পর্দাহীনতা আর 'স্বাধীনতা'র নামে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে দাঁড়িয়ে আছে আমাদের সমাজ।
সমাধান কী?
“নারীর স্বাধীনতা নয়, নারীর নিরাপত্তা চাই।”
- ✅ নারীর প্রকৃত মর্যাদা কুরআনের আলোকে ব্যাখ্যা করা
- ✅ নারীকে জ্ঞানী, ধার্মিক ও আত্মমর্যাদাশীল হিসেবে গড়ে তোলা
- ✅ সমাজে ইসলামী বিধান বাস্তবায়নে আলিম সমাজের সক্রিয় ভূমিকা
উপসংহার
একটি মেয়েকে যখন ঘরের নিরাপদ দেয়াল থেকে টেনে বের করে রাস্তার উন্মুক্ততায় নিয়ে যাওয়া হয়, তখন তা স্বাধীনতা নয়, নিঃশেষের সূচনা। তাই আজ প্রয়োজন নারী বিষয়ক সংস্কার ও কমিশন বাতিলের। ইসলামের আলোয় ফিরে আসুক আমাদের মা, বোনেরা। হোক একটি পূর্ণাঙ্গ ইসলামি সমাজ।
Comments
Post a Comment