তোহফাতুল হারামাইন – আমার মনের খোঁজের শেষ ঠিকানা
তোহফাতুল হারামাইন – আমার মনের খোঁজের শেষ ঠিকানা
মুহাম্মদ মুনীরুজ্জামান ত্বলহা, দ্বীনের দীপ্তি
আলহামদুলিল্লাহ! অবশেষে বহুদিনের আকাঙ্ক্ষিত আশা আজ পূর্ণতা পেল। অনেকদিন যাবৎ আমি যাঁর প্রতি গভীর শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা পোষণ করি, সেই আদীব হুজুর (মাওলানা আবু তাহের মেসবাহ দা.বা.)-এর একটি অমূল্য লেখার খোঁজে ছিলাম।
আমি এই লেখাটি প্রথম বহু বছর আগে একবার দেখেছিলাম। তখনই লেখাটি আমার হৃদয়ের গভীরে স্থান করে নিয়েছিল। আমি সেই থেকে লেখাটিকে নিজের সংগ্রহে রাখার চেষ্টা করেছি, এমনকি একসময় এটি সংরক্ষণও করেছিলাম। কিন্তু দুঃখজনকভাবে পরে সেটি হারিয়ে ফেলি।
কয়েক বছর পেরিয়ে গেল—তবুও মনে থেকে গেল সেই লেখার সৌরভ, সেই শব্দের দীপ্তি। অবশেষে, বৃহস্পতিবার, যখন আমি মাদানীনগর মাদ্রাসায় এসেছি, হঠাৎ করেই একটি কামরার দরজার গায়ে চোখ পড়তেই আনন্দে অশ্রু গড়িয়ে পড়ল...!
আল্লাহ্! এ তো সেই কাঙ্ক্ষিত লেখা! – “তোহফাতুল হারামাইন”!
এই লেখাটি শুধু একটি উপদেশ নয়, বরং জীবনের পরশপাথর। যার ছোঁয়ায় একজন মানুষ পরিবর্তিত হতে পারে, উন্নতির পথে ধাবিত হতে পারে, একজন মুসলমান তার ঈমানি জীবনের রোডম্যাপ পেতে পারে।
এই লেখাটির মাঝে রয়েছে এমন সব নসিহত ও নির্দেশনা যা সন্তানদের জন্য, পরিবারের জন্য, তালেবে ইলমদের জন্য এবং প্রতিটি মুসলমানের জন্য এক অপরিহার্য ধনভাণ্ডার।
যারা এই লেখাটি পড়বে, তারা যদি এই কথাগুলোর উপর একটু চিন্তা করে, মনের দরজাকে খুলে দেয়—তবে তারা পাবে অনুপ্রেরণার নতুন সকাল, পাবে জীবনের সঠিক গন্তব্যের ঠিকানা।
এই কারণে আমি মনে করি, প্রত্যেক অভিভাবকের উচিত এই উপদেশসমূহ সন্তানদেরকে শেখানো এবং আমল করার জন্য প্রেরণা দেওয়া। কারণ এই কথাগুলোর মধ্যে আছে আখিরাতের আলো, চরিত্রের দীপ্তি এবং ঈমানি শক্তির অমৃতবাণী।
তোহফাতুল হারামাইন শুধু লেখা নয়, এটি একটি জীবনের উপলব্ধি—একটি জীবন্ত চিন্তা, যা প্রতিটি পাঠককে দেবে ভাবনার খোরাক, দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন এবং আমলের চেতনা।
اللَّهُمَّ اجْعَلْ هٰذِهِ الْكَلِمَاتِ سَبَبًا لِلهِدَايَةِ وَالإِصْلَاحِ، وَاجْعَلْنِي وَإِيَّاهُمْ مِنَ المُتَّقِينَ وَالصَّالِحِينَ
20-06-25 শুক্রবার রাত 10-47 মিনিট
মুহাম্মদ মুনীরুজ্জামান ত্বলহা দ্বীনের দীপ্তি
Comments
Post a Comment