হে নারী তোমাকে বলছি
একটি বিশ্লেষণধর্মী আলোচনা
মুহাম্মদ মুনীরুজ্জামান ত্বলহা
হে নারী তোমাকে বলছি
হামদ ও সালাতের পর,
মহান আল্লাহ তাআলার অশেষ মেহেরবানী, আমাদেরকে তিনি সত্য ধর্ম, সঠিক ধর্ম ইসলামে দাখেল হওয়ার তৌফিক দান করেছেন।আমরা এখানে দ্বীনি কিছু কথা আলোচনা করার জন্য,মুজাকারা করার জন্য বসেছি। দ্বীনের কথা বললেও লাভ,শুনলেও লাভ।বললেও নেকি,শুনলেও নেকি।আর আমরা তো আল্লাহর কাছে বেশি বেশি সওয়াব চাই।বেশি বেশি নেকি চাই। মেহেরবান আল্লাহ তাআলার প্রশংসা, যে তিনি আমাকে দ্বীনি কিছু বিষয়ে মা-বোনদের সামনে পর্দার আড়ালে আলোচনা করার তৌফিক দিয়েছেন। আসলে আমার কোন যোগ্যতা নেই, কিন্তু যেহেতু আমাকে কিছু আলোচনা করার কথা বলা হয়েছে, সেহেতু আমি কিছু মুযাকারা করছি। এতে আমারও ফায়দা হবে, আমার মা বোনদেরও কিছু ফায়দা হবে।
আমি মৌলিক কিছু বিষয় আপনাদের সামনে এখন আলোচনা করব, এই কয়েকটি বিষয় যদি আমি মেনে চলতে পারি, তাহলে আমার ব্যক্তিগত জীবন, পারিবারিক জীবন, সাংসারিক জীবন, সামাজিক জীবন, রাষ্ট্রীয় জীবন সব ক্ষেত্রেই আমার অনেক ফায়দা হবে। আসলে আল্লাহ তাআলা এই দুনিয়ার বুকে আমাদেরকে সৃষ্টি করেছেন একমাত্র তার ইবাদত করার জন্য। অন্যকে খুশি করার জন্য, বা অন্যকে সন্তুষ্টি করার জন্য আমাদের সৃষ্টি নয়। আমাদের কাজ হবে একমাত্র তার জন্য। তাইতো আমাদের নামাজ, রোজা, হজ,যাকাত সবকিছুই শুধুমাত্র তার সন্তুষ্টির জন্যই হয়। সামান্য পরিমাণ যদি অন্যের সন্তুষ্ট অন্তরে থাকে, তাহলে সেই আমল আর কবুল হয় না।
আমার মনে হয়,এই আলোচনার মাঝে ছোট ছোট শিশু রয়েছে, মেয়ে শিশু রয়েছে, হয়তো কুমারী মেয়েরাও অংশগ্রহণ করেছে, বিবাহিত নারীরা অংশগ্রহণ করেছে। আমি ইনশাআল্লাহ সবার জন্যই মৌলিক কিছু কথা বলব। আমার কিছু কথা হবে বিবাহিতদের জন্য, আর কিছু কথা হবে অবিবাহিতদের জন্য।
আমাদের মধ্য হতে যাদের বুঝার বয়স হয়েছে, আমরা জানি, আমাদেরকে অনেক সতর্ক হয়ে চলতে হবে। গুনাহের পরিবেশ থেকে বেঁচে থাকতে হবে। আমরা সবাই লক্ষ রাখি যে, আমরা নারীরা, আমাদের অনেক মর্যাদা রয়েছে, কিন্তু আমরা আমাদের মর্যাদা বুঝতে পারি না। আমরা নিজেরাই আমাদের সম্মানকে সম্ভ্রমকে নষ্ট করি। তাই আমার মা ও বোনেরা, আমরা খুব সতর্ক থাকব, আমার সম্মান নষ্ট হয় এমন কোন কাজ যেন আমার দ্বারা না হয়। পর্দা করা আমাদের জন্য ফরজ। এখন যদি আমরা পর্দা ছাড়া বাহিরে ঘোরাফেরা করি, পুরুষ মানুষদের সামনে যাই, তাদের সাথে কথাবার্তা বলি। তাহলে ইসলামের মৌলিক একটা হুকুম আমরা অমান্য করলাম। এতে ক্ষতি আমার নিজেরই হবে। আজকে এই পর্দার কারণেই বহু পরিবারে অনেক ঝগড়া ও ঝামেলা হয়ে থাকে। অনেক পরিবার তো তালাকের পর্যায়ে চলে যায়। শুধুমাত্র পর্দার এই হুকুমটা না থাকার কারণে। আমরা বুঝে উঠতে পারিনা, কিভাবে আমার জীবন আমি পরিচালনা করব, কিভাবে আমার দিনকাল কাটাবো, আমার চলাফেরা কিভাবে হবে? প্রত্যেকটা মুহূর্ত কিভাবে আমি কাটাবো ।
* আমরা ছোট ছোট মেয়েরা যারা আছি-স্বাভাবিকভাবে মানুষ হিসেবে আমাদের অনেক সাজগোজ করতে মন চায়, আমাদের মন চায় আমরা অনেক সাজুগুজু করে চলাফেরা করব, অনেক কসমেটিকস ব্যবহার করব। লোকসমাজে ঘোরাফেরা করব। আমাদের সুন্দর চেহারাটা মানুষদেরকে দেখাবো। এতে আমাদের অনেক সম্মান হবে। আমাদের প্রতি পুরুষরা আকৃষ্ট হবে। এই যে চিন্তা চেতনা, এর জন্যই আমাদের সমাজে মহিলাদের এত অপমান। আজকে সে যদি চিন্তাটা এভাবে করতো, কোনভাবেই আমি আমার চেহারা মানুষকে দেখাবো না। আমি সবসময় পর্দা করে চলবো। বাড়ির বাহিরে বের হলেই পর্দা করে বের হব। আমার চেহারা চাইতা ফর্সা হোক, অথবা কালো হোক, পর্দার বাহিরে আমি থাকবো না। পুরা শরীর আমার জন্য পর্দায় আবৃত থাকে। হাত-পায়ে মুজা থাকে। তাহলে কি আমাকে অপমান হতে হবে? মানুষকে আমাকে খারাপ ভাববে। আজকে আমার মনের অনুভূতি এরকম হয়, কোন পুরুষের সাথে আমার বন্ধুত্ব হয়ে যায়, বিশেষ করে আমরা যারা স্কুল কলেজে পড়াশোনা করি, বেশিরভাগ ক্ষেত্রে তো তারা ছেলে বন্ধু বানিয়ে ফেলে। তাদের সাথে উঠাবসা চলাফেরা করে। নিজেদের মাঝে অনেক সম্পর্ক গড়ে তোলে। অথচ এই সম্পর্ক তো একদম হারাম। এই হারাম সম্পর্কে জড়ানোর কারণে এক পর্যায়ে মানুষের সামনে মুখ দেখানো লজ্জার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। সমাজের মানুষজন জেনে ফেলে, এই মেয়েটা হারাম সম্পর্কে জড়িত, অমুক পরিবারের এই সন্তানটা খারাপ কাজে লিপ্ত। এর দায়ভার শুধু আমাকে নয় আমার পরিবারকেও বহন করতে হয়। আমার মা-বাবা সমাজের সামনে লজ্জিত হয়। মানুষজন আমার মা-বাবাকে অপমান করে। এই ছেলে মেয়ের হারাম সম্পর্ক, একপর্যায়ে তাদেরকে আত্মহত্যা দিকে নিয়ে যায়। এই সমস্ত বিষয়গুলো তো আমাদের চোখের সামনে একদম স্পষ্ট। এগুলো খুলে খুলে বলার প্রয়োজন নেই। আমি শুধু এতটুকু বলার চেষ্টা করছি যে, কি কি কারণে আমাদের অবনতি হয়? তার মধ্যে এটা একটা হারাম রিলেশনশিপ। অবশ্যই আমি আমার সন্তানকে এই হারাম কাজ থেকে বাঁচিয়ে রাখার চেষ্টা করব। অনেক পরিবার চেষ্টা করার পরেও পেরে ওঠে না, কারণ তার সন্তান তো স্কুলে পড়ে, তার মেয়েটা তো কলেজে পড়ে, তাকে তো ডাক্তারি পড়াতে হবে, তাকে তো অনেক বড় সমাজসেবক হতে হবে, আর জেনারেল শিক্ষা করতে হলে, পর্দা করার কোন সুযোগ নেই, আর পর্দার সুযোগ না থাকার কারণেই এই সম্পর্কে জড়িত হয়ে যায়। খুব কম মেয়ে মানুষ পাওয়া যায়, যারা কোন পুরুষের সম্পর্কে জড়িত নয়।
তাই আমাদেরকে পর্দার বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে। মহিলাদেরকে এত উচ্চ শিক্ষা দিতে হবে এমন কোন বিষয় নয়। বিয়ের আগে সে বাবা-মায়ের ছায়াতলে থাকবে। আর বিয়ের পরে স্বামীর ছায়া তলে থাকবে। এই হলো তার জীবন। বিয়ের আগে তার বাবা মার কাছ থেকে, বা তার বড় ভাইয়ের কাছ থেকে, ইসলামের মৌলিক বিষয়গুলো শিখে নেবে, এবং সে অনুযায়ী আমল করতে থাকবে। আর বিয়ের পর তার স্বামী তাকে গড়ে তুলবে। স্বাভাবিকভাবে মেয়েদের জীবন যদি এরকম হয়, তাহলে আর ফেতনার আশঙ্কা থাকে না। তাই আমি আমার মা ও বোনদেরকে বলতে চাই, আপনারা আপনাদের সন্তানকে পর্দা করা শিখান। এই ফরজ হুকুমটা অন্তত পালন করতে শিখান, তাহলে আশা করা যায় এই একটা আমলের কারণেই আমূল পরিবর্তন হয়ে যাবে আমার পরিবারের মধ্যে।মেয়েদের পর্দা করা ইসলাম ধর্ম অনুযায়ী একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। কুরআন ও হাদীস অনুযায়ী, নারীদের পর্দা বা হিজাবের উদ্দেশ্য হলো লজ্জাশীলতা, ইজ্জত রক্ষা এবং সমাজে ফিতনা বা অশ্লীলতা থেকে নিজেকে রক্ষা করা। পর্দা করার কিছু মূল দিক নিচে তুলে ধরা হলো:
১. পোশাকের শর্ত:
পোশাক ঢিলাঢালা হতে হবে, যাতে শরীরের আকৃতি বোঝা না যায়।
পুরো শরীর ঢেকে রাখতে হবে, শুধুমাত্র মুখ ও হাত কবজি পর্যন্ত (কিছু আলেম মুখ ঢাকার পক্ষেও মত দেন) খোলা রাখা যেতে পারে।
পোশাক স্বচ্ছ বা চটকদার (আকর্ষণীয়) হওয়া যাবে না।
পুরুষের পোশাক বা কাফেরদের পোশাকের অনুকরণে হওয়া যাবে না।
২. চেহারার পর্দা:
কেউ কেউ বলেন, ফিতনার আশঙ্কা থাকলে মুখ ঢেকে রাখাও আবশ্যক (ওয়াজিব)।
আবার অনেকে বলেন, মুখ খোলা রাখা জায়েজ, যদি তা ফিতনার কারণ না হয়।
৩. চলাফেরা ও আচরণ:
মেয়েরা পর্দার পাশাপাশি চলাফেরায়ও লজ্জাশীল ও মার্জিত আচরণ করবে।উচ্চ স্বরে কথা বলা, হাসাহাসি বা মনোযোগ আকর্ষণকারী আচরণ এড়ানো উচিত
পুরুষদের সঙ্গে অপ্রয়োজনে কথা বলা বা মেলামেশা পরিহার করা উচিত।
* আরেকটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, ছোট বয়সেই আমাদের সন্তানদেরকে আমরা স্মার্টফোন দিব না। এই স্মার্টফোনের কারণেও অনেক পরিবার ধ্বংস হয়ে যায়। অনেক সন্তান খারাপ হয়ে যায়। বাস্তব চিত্র দেখলে তো বোঝা যায়, বর্তমান সময়ে একজন সন্তানের খারাপ হয়ে যাওয়ার পিছনে স্মার্টফোনই যথেষ্ট। আর স্বচক্ষে আমিও দেখেছি বিভিন্ন পরিবারে, স্মার্টফোনের কারণে প্রেম ভালোবাসা ইত্যাদি জন্ম নেয়। একপর্যায়ে তা হারাম রিলেশনশিপে নিয়ে যায়। আজকাল যুগে ফেসবুক তো সবাই ব্যবহার করে কম বেশি। এখন আমার সন্তান যে ফেইসবুক ব্যবহার করছে, ইউটিউব দেখছে, কত পুরুষের চেহারা তার সামনে আসছে, এতে কি কবিরা গুনাহ হচ্ছে না? অনেকে এইরকম ব্যাখ্যা করে, মোবাইলের মাধ্যমে সে ইসলাম শিখবে, মোবাইলের মাধ্যমে সে ইসলামের মৌলিক বিষয়গুলো শিখবে? মোবাইলটা এখন আমাদের শিক্ষার মাধ্যম হয়ে গেছে। এটা শুধু তাদের মুখের বুলি। আসলে মোবাইলের মাধ্যমে ইসলাম কোনোভাবেই শিখা সম্ভব নয়। অবশ্যই এই মোবাইল থেকে তাদেরকে বাঁচিয়ে রাখতে হবে। আজকে তারা মোবাইলে ছবি মুভি সিনেমা ইত্যাদি দেখে নিজের জীবনকে নষ্ট করে দিচ্ছে। আমরা যদি তাদেরকে সতর্ক না করি, বা তাদেরকে ভয় না দেখাই, তাদেরকে সুযোগ করে দেই, তাহলে তো এর জবাবদিহিতা কেয়ামতের মাঠে আমাকেই করতে হবে। আমার সন্তানের খারাপ হওয়ার পিছনে তো আমিই দায়ী। আমাকে সাধ্যমত চেষ্টা করতে হবে আমার সন্তানকে ভালো করার জন্য। গুনাহের আসবাব থেকে দূরে রাখার জন্য।
নিচে মেয়েদের বিষয়ে একটি ইসলামিক বয়ান উপস্থাপন করা হলো, যা প্রায় ৩ পৃষ্ঠার মতো। এটি নারী জাতির মর্যাদা, দায়িত্ব ও ইসলামের দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে লেখা:
প্রিয় ভাই ও বোনেরা,
আজকের আলোচনার বিষয় হচ্ছে: “ইসলামে নারীর মর্যাদা ও দায়িত্ব”। আল্লাহ তাআলা মানুষকে যুগলভাবে সৃষ্টি করেছেন—পুরুষ ও নারী। কোরআনে আল্লাহ বলেন:
"হে মানুষ! আমি তোমাদেরকে এক পুরুষ ও এক নারী থেকে সৃষ্টি করেছি..." (সূরা হুজরাত: ১৩)
১. ইসলামে নারীর মর্যাদা
ইসলাম নারীদেরকে দিয়েছে উচ্চ সম্মান ও মর্যাদা। ইসলাম আগমনের পূর্বে আরব সমাজে নারীদের কোনো সম্মান ছিল না। কন্যা সন্তান জন্মালে জীবন্ত কবর দেওয়া হতো। আল্লাহ বলেন:
"আর যখন জীবন্ত পুত্রীর কাছে প্রশ্ন করা হবে—তোমাকে কেন হত্যা করা হয়েছিল?" (সূরা তাকভীর: ৮-৯)
ইসলাম এসে নারীদের সেই অধিকার ফিরিয়ে দেয়। হযরত মুহাম্মদ (সা.) ঘোষণা করেন—
"যে ব্যক্তি দুটি মেয়েকে ভালোভাবে লালন-পালন করবে, তার জন্য আমি জান্নাতে সঙ্গী হব।" (সহিহ মুসলিম)
২. নারী: মা, বোন, স্ত্রী ও কন্যা
নারীর চারটি প্রধান পরিচয়—মা, বোন, স্ত্রী ও কন্যা। প্রতিটি অবস্থায় ইসলাম তাদের সম্মানিত করেছে।
মা: হাদিসে এসেছে, এক ব্যক্তি রাসূল (সা.)-কে জিজ্ঞাসা করল, “আমার সবচেয়ে প্রাপ্য কে?” রাসূল (সা.) বললেন: “তোমার মা” — তিনবার এমন বলার পর চতুর্থবার বললেন “তোমার বাবা”। (বুখারি)
স্ত্রী: কোরআনে আল্লাহ বলেন:
"তোমাদের স্ত্রীদের সাথে সুন্দরভাবে জীবনযাপন করো..." (সূরা নিসা: ১৯)
কন্যা: কন্যাদেরকে লালন-পালনের ব্যাপারে রাসূল (সা.) বলেছেন—
“যে ব্যক্তি তার তিন কন্যা অথবা বোনকে ভালোভাবে পালন করে, সে জান্নাতে যাবে।” (তিরমিযি)
৩. নারীর অধিকার ও দায়িত্ব
ইসলাম নারীদের দিয়েছে শিক্ষা লাভের অধিকার। রাসূল (সা.) বলেছেন:
"জ্ঞান অর্জন করা প্রত্যেক মুসলিম নর-নারীর জন্য ফরজ।"
নারীরা ইসলামে ব্যবসা-বাণিজ্য, সম্পদ মালিকানা, মতামত দেওয়া, সমাজসেবা—সব ক্ষেত্রেই অবদান রাখতে পারে। হযরত খাদিজা (রা.) ছিলেন একজন সফল ব্যবসায়ী। হযরত আয়েশা (রা.) ছিলেন অন্যতম শিক্ষিকা।
৪. পর্দা ও সতীত্বের গুরুত্ব
ইসলাম নারীদের সতীত্ব ও নিরাপত্তার জন্য পর্দার বিধান দিয়েছে। আল্লাহ বলেন:
"হে নবী! তোমার স্ত্রীগণ, কন্যাগণ এবং মুমিন নারীদের বলো—তারা যেন নিজেদের চাদরের অংশ দিয়ে নিজেদের ঢেকে রাখে..." (সূরা আহযাব: ৫৯)
পর্দা কোনো কারাবাস নয়, বরং নারীর মর্যাদা ও নিরাপত্তার প্রতীক।
উপসংহার:
ইসলাম নারীকে যে সম্মান দিয়েছে, তা পৃথিবীর আর কোনো ধর্ম বা সমাজ দেয়নি। নারী জাতিকে সম্মান ও দায়িত্বশীলতার সাথে জীবন পরিচালনার আহ্বানই ইসলামের শিক্ষা।
আসুন, আমরা নারী জাতির প্রতি শ্রদ্ধাশীল হই এবং ইসলামী নির্দেশনা অনুযায়ী তাদের অধিকার ও মর্যাদা রক্ষা করি।
Comments
Post a Comment