স্মৃতির সন্ধ্যায়
✍ মুহাম্মদ মুনীরুজ্জামান ত্বলহা
স্মৃতির সন্ধ্যায়
ইনশাআল্লাহ, একদিন এই সন্ধ্যাটা মনে পড়বে।
বৃষ্টির শব্দে যখন শহরটা নরম কম্বলের মতো নিঃশব্দে ঢেকে যায়, তখন হৃদয়ে নামে এক রকম শীতলতা।
সেই শীতলতার মাঝেও উষ্ণ থাকে কিছু স্মৃতি, কিছু মুহূর্ত—যা কখনোই মুছে যায় না।
আলহামদুলিল্লাহ, এমনই এক সন্ধ্যায় কলম হাতে নিলাম, ভেজা কাগজে অনুভূতির রেখা আঁকতে।
সাজ্জাদ ভাই, রাকিব ভাই, মাহবুব ভাই, সাইদুল ভাই—তোমাদের এই ভ্রাতৃত্ব, এই মুহূর্ত, এই ভালোবাসা হৃদয় ছুঁয়ে যায়।
একসাথে বসে মুড়ির ঘ্রাণে মিশে যাওয়া গল্পের স্বাদ আলাদা।
সেই মুহূর্তে যখন কেউ বলে—“ভাই, আপনি এত উৎসাহ পান কিভাবে?” তখন উত্তরটা হয় জীবনের ইতিহাস।
সুবহানাল্লাহ, একেকটি প্রশ্নে খোলে যায় পুরনো পৃষ্ঠা, বেরিয়ে আসে জীবনের জমে থাকা আবেগ।
লেখালেখির শুরু সেই হেদায়াতুন্নাহু জামাত থেকে—যেখানে প্রতিটি তাকরির লিখেছি, হৃদয়ে রেখেছি।
তারপর কিতাব, প্রবন্ধ, রোজনামচা—সবকিছু ধীরে ধীরে ফেসবুক আর ব্লগে প্রকাশ করা শুরু করলাম।
সাজ্জাদ ভাই বললেন, “ভাই, এইসব এডিট কিভাবে করেন?”
তখন মনে হল, শুধু লেখাই নয়, এই হৃদয়ের কাজগুলো যেন অনেক দূর ছড়িয়ে পড়ে।
মাশাআল্লাহ, আল্লাহ যে তাওফিক দিয়েছেন, এই সফর যেন শেষ না হয়।
আর যখন মুড়ি হয়ে গেল, সবাই একসাথে খেলাম, তখন মুহূর্তটা হয়ে গেল ইতিহাস।
ভাই বলল, “এটা তো মহব্বতের ব্যাপার, টাকা না দিলেও কিছু আসে যায় না।”
এই কথাটাই জীবনের আসল শিক্ষা। ভ্রাতৃত্ব, হৃদয় আর স্মৃতির মহব্বত।
আজ এই সন্ধ্যায় লিখে রাখলাম, ইনশাআল্লাহ এই লেখা একদিন পড়লে চোখে জল আসবে।
Comments
Post a Comment