চশমা: চোখের সাথি, যত্নের অনুপম উপাখ্যান

 👓 চশমা: চোখের সাথি, যত্নের অনুপম উপাখ্যান

✍ মুহাম্মদ মুনীরুজ্জামান ত্বলহা

চশমা আমাদের চোখের বন্ধু ⸺ যাকে আমরা দৃষ্টির ঠিকানা বলি। অনেকেই পড়ে থাকি প্রতিদিন ⸺ কিন্তু যত্নে গাফিল করি বারবার। চশমা শুধু এক জোড়া কাচ নয় ⸺ এটি আমাদের চাহনির বাহন। অযত্নে ফেলে রাখলে ⸺ মুহূর্তেই হতে পারে ক্ষতি বা ভাঙন। হাত ধুয়ে ব্যবহার করাই উত্তম ⸺ ময়লা হাত চশমার শত্রু। চশমা খোলার সময় একহাতে নয় ⸺ বরং দু’হাতে খুলাই স্বাস্থ্যসম্মত। রাত্রে শোবার আগে চশমা জায়গামতো রাখা চাই ⸺ নইলে পিষে যাওয়ার শঙ্কা প্রবল। চশমা কখনো বিছানায়, বালিশে, বা গদি-চাপে ফেলে রাখা উচিত নয় ⸺ এটি একটি দায়িত্বের চিহ্ন। রোদ, ধুলো ও পানির আঘাত থেকে রক্ষা করা দরকার ⸺ নইলে লেন্স ও ফ্রেম উভয় ক্ষতিগ্রস্ত হয়। চশমা মুছার জন্য নির্ধারিত কাপড় ব্যবহার করাই উত্তম ⸺ জামা-কাপড়ে মুছলে স্ক্র্যাচ পড়ে যায়।

⋆✦⋆

🔎 চশমা ভাঙলে শুধু কাচ ভাঙে না, ভাঙে ভরসা ⸺ ক্ষয় হয় খরচ ও মনের শান্তি

চশমা ভেঙে গেলে কষ্ট শুধু চোখে নয় ⸺ ব্যথা লাগে হৃদয়ে। আবার বানাতে গেলে সময়, অর্থ, অনুশোচনা – তিনটিই জোটে। অনেক সময় পরীক্ষার আগ মুহূর্তে চশমা ভেঙে যায় ⸺ কী ভীষণ বিপদ!⸺ যারা পড়াশোনা করে গভীর মনোযোগে ⸺ তাদের জন্য এটি অস্ত্রের মত। তাই বলি ত্বলহা, চশমা হোক শুধু মুখের সাজ নয় ⸺ হোক যত্নের মুকুট। এই সামান্য উপকরণে যদি সচেতন হই ⸺ জীবনের অনেক বোকামি থেকে মুক্তি পাবো ইনশাআল্লাহ।

Comments

Popular posts from this blog

“দ্বীনের দীপ্তি: ইসলামের মূল শিক্ষা”

স্মৃতির প্রাঙ্গণ ও মাধুর্যের ঋণ

📘 প্রথম সাময়িক পরীক্ষার প্রস্তুতি