বাকসংযম: কথা কম বলার ফযীলত

 বাকসংযম: কথা কম বলার ফযীলত

✍ মুহাম্মদ মুনীরুজ্জামান ত্বলহা

বেশি কথা বলা কেন ক্ষতিকর?

অধিক পরিমাণে কথা বলা উচিত নয়। কারণ যে বেশি কথা বলে, সে সহজেই ভুলে পড়ে।
বেশি কথা বলার মাঝে অহংকার, রিয়া ও গিবতের ঝুঁকি থাকে।
নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছিলেন: “যে ব্যক্তি আল্লাহ ও আখেরাতে বিশ্বাস করে, সে যেন উত্তম কথা বলে অথবা চুপ থাকে।” (বুখারি)
কথা মানুষের চরিত্রের দর্পণ। অপ্রয়োজনীয় কথা বললে হৃদয় কলুষিত হয়ে যায়।
যে কম কথা বলে, তার অন্তর বেশি ধ্যানী হয় এবং জ্ঞানী মানুষরা সাধারণত মিতভাষী।

কথা কম বলার উপকারিতা

মিতভাষী ব্যক্তি সহজে মানুষের সম্মান অর্জন করে।
যে কম কথা বলে, সে নিজের ইজ্জত ও নিরাপত্তা রক্ষা করতে পারে।
অল্প কথা বললে মনোযোগ বাড়ে এবং চিন্তা শক্তি বৃদ্ধি পায়।
কথা কম বললে আত্মনিয়ন্ত্রণ তৈরি হয়, যা একজন মুমিনের গুণ।
বেশি কথা বললে যে ভুল হয়, কম কথা বললে তা এড়ানো যায়।
⸺🕊⸺

আমরা কী করব?

নিজেকে প্রশ্ন করব: এই কথা কি আমার জন্য দরকারি?
অপ্রয়োজনীয় আলাপ থেকে নিজেকে গুটিয়ে রাখব।
আল্লাহর জিকির, কুরআন তিলাওয়াত ও চিন্তাশীল নীরবতা— এগুলোর প্রতি মনোযোগ দিব।
প্রতিদিন নির্ধারিত সময় নিরবতা পালন করবো।
মনে রাখবো: কম কথা বলা শুধু অভ্যাস নয়, এটা একধরনের ইবাদত।

Comments

Popular posts from this blog

“দ্বীনের দীপ্তি: ইসলামের মূল শিক্ষা”

স্মৃতির প্রাঙ্গণ ও মাধুর্যের ঋণ

📘 প্রথম সাময়িক পরীক্ষার প্রস্তুতি