কুরআনের পরিচয় ও ইতিহাস

 

কুরআনের পরিচয় ও ইতিহাস

লেখক: মুহাম্মদ মুনীরুজ্জামান ত্বলহা 

قرآنا এর অর্থ

قرآنا এর অর্থ قرأ - قرآنا মাসদার থেকে হলে,তার অর্থ হবে جمعه. যেমন কুরআনে আছে : لا تحرك به لسانك لتعجل به - إن علينا جمعه وقرآنه - فإذا قرأناه فاتبع قرآنه

অন্যত্র এরশাদ হয়েছে : وإذا تليت عليهم آياته زادتهم إيمانا 

* ضم بعضه إلى بعض : অর্থাৎ যখন বান্দা কুরআন পড়তে থাকবে বা কুরআনী মেহনত করতে থাকবে, তখন কুরআন বান্দাকে তার মালিকের সাথে সম্পর্ক করিয়ে দিবে।

কুরআনের আরেক পরিচয় হলো এটি এক হেদায়েত গ্রন্থ। যেমনটি কুরআনে এরশাদ হয়েছে: ذلك الكتاب لا ريب فيه . هدى للمتقين

আমরা সুরা ফাতেহায় বলে এসেছি: اهدنا الصراط المستقيم. আবার অন্য জায়গায় এরশাদ হয়েছে: شهر رمضان الذي أنزل فيه القرآن - هدى للناس و بينات من الهدى والفرقان

সূরা বাকারায় এরশাদ হয়েছে: إني جاعل في الأرض خليفة 

আসলে এটা একটা ওয়াদার বাস্তবায়ন।ওয়াদাটি হলো: 

আল্লাহ তাআলা প্রথমে বান্দাকে জান্নাতে পাঠান, কিন্তু শয়তান তাকে ছলনায় ফেলে। অবশেষে আল্লাহ তা'আলা তাকে দুনিয়াতে পাঠিয়ে দেন। আর শয়তান তো দুনিয়াতেও আছে, তো এখানেও শয়তান তার সঙ্গ দেয় এবং ভয়-ভীতি সৃষ্টি করে। তো দুনিয়াতে বাঁচার রাস্তা পাওয়া যায় কিনা? এ ব্যাপারে আল্লাহ বলেছেন

فإما ياتينكم  مني هدى فمن تبع هداي فلا خوف عليهم ولا هم يحزنون

কেমন যেন আল্লাহ তাআলা ওয়াদা পালন করেছেন। দুনিয়ার জীবনে, যাতে তুমি সঠিক পথে চলতে পারো। এই জন্য হেদায়েত গ্রন্থ পাঠালাম। পূর্বেকার সকল আসমানী কিতাবও মানব জাতির জন্য হেদায়েত ছিল। তাওরাত সম্পর্কে আল্লাহ বলেছেন:

إنا أنزلنا التوراة فيها هدى ونور ইনজিল সম্পর্কে আল্লাহ বলেছেন: وآتيناه الإنجيل فيه هدى ونور 

এইভাবে সকল নবী হেদায়েত গ্রন্থ নিয়ে এসেছেন। সর্বশেষ হযরত মুহাম্মদ মুস্তফা সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এই কুরআনকে নিয়ে এসেছেন।

فإنه نزله على قلبك بإذن الله مصدقا لما بين يديه وهدى وبشرى للمؤمنين

এরপর আল্লাহ গোটা মানবজাতিকে লক্ষ্য করে বলছেন:

يا أيها الناس قد جاءتكم موعظة من ربكم وشفاء لما في الصدور وهدى ورحمة للمؤمنين

قد جاءكم من الله نور وكتاب مبين يهدي به الله من اتبع رضوانه سبل السلام

يخرجهم من الظلمات إلى النور بإذنه ويهديهم إلى صراط مستقيم

কুরআনের আরেক পরিচয় হলো: এই কুরআন আত্মায় প্রানসঞ্চারকারী গ্রন্থ। وكذلك أوحينا إليك روحا من امرنا

মৃত মানুষগুলোকে সঞ্জীবত করে দেয়, ফিরে পায় আপন প্রাণ, হয়ে ওঠে মুসলমান।

 أو من كان ميتا فأحييناه وجعلنا له نورا تمشون به في الناس كمن مثله في الظلمات ليس بخارج منها كذلك زين للكافرين ما كانوا يعملون

এই কুরআন এমন এক কিতাব যাতে কোন ভুল নেই। অতীতেও কেউ ভুল ধরতে পারেনি।আজও কেউ ভুল ধরতে পারবেনা।

হযরত ওমর রা এর জমানা بلسان عربي مبين কুরআন অবতীর্ণ করা হয়েছে। স্পষ্ট আরবি ভাষায়। প্রশ্ন উত্থাপন করলো: هزوا ، عجاب ،  كبار সমকালীন আরবে প্রচলিত না। তো ওমর রা এক পল্লী এলাকা থেকে এক বয়বৃদ্ধ কে ডেকে আনলেন, এবং তাকে বসতে বলে বসতে না দেওয়াতে,বার বার হওয়াতে সে বলে উঠলো: يا أمير المؤمنين اتخذني هزوا وأنا شيخ كبار والله هذا الشيء عجاب তো জবাব পাওয়াতে উমর রা বৃদ্ধকে বুকে টেনে নিলেন।

                                   ফাযায়েল

১. من قرأ حرفا من كتاب الله فله به حسنة والحسنهة بعشر أمثالها  

ترمذي - ٢٩١ 

২. اقْرَءُوا الْقُرْآنَ فَإِنَّهُ يَأْتِي يَوْمَ الْقِيَامَةِ شَفِيعًا لأَصْحَابِهِ 

مسلم : ٨٠٤

৩. يا أهل القرآن لا تتوسدوا القرآن واتلوه حق تلاوته من آناء الليل والنهار ، وأفشوه وتغنوه وتدبروا ما فيه لعلكم تفلحون

شعب الإيمان . 2210 -

৪. قراءة الرجل القرآن في غير المصحف  ألف درجة و قرائته في المصحف تضعف على ذالك إلى الفي درجة.

مشكاة .....


                        কুরআনের ইতিহাস

কুরআন আল্লাহর কালাম।এই কুরআন সংরক্ষণ আছে। আল্লাহ তাআলা এরশাদ করেন: بل هو قرآن مجيد ، في لوح محفوظ

এরপর কদরের রজনীতে পুরো কুরআন প্রথম আসমানে بيت العزة / بيت المعمور নামক স্থানে নাযিল করেন।যা কাবা শরীফের ঠিক উপরে। এখানে ফেরেশতাদের ইবাদতখানা। জিব্রাইল আ.অল্প অল্প করে,প্রয়োজন অনুপাতে নাযিল করেছেন,যার ধারাবাহিকতা 23 বছর যাবৎ ছিল।


                               تاريخ جمع القرآن

أولا في زمان الرسول ، ثانيا في زمان أبي بكر ، ثالثا في زمان عثمان

হুজুরের যমানায় কাগজে লেখার কোন পদ্ধতি ছিল না। যার কারণে চামড়ার উপর, হাড্ডির উপর, পাথরের উপর লিখতেন। যায়েদ বিন সাবেত, খুলাফায়ে রাশেদিন, হুজাইফা, হযরত মুগীরা  রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহু,হযরত খালিদ বিন ওলীদ প্রমুখ সাহাবীগণ খেজুরের ছালের উপর, বাশের উপর লিখতেন। তবে তখন হেফাজতের বড় মাধ্যম ছিল, মুখস্ত করা। অনেক সাহাবী মুখস্ত করেছেন, এমনকি মহিলারা মুখস্ত করতেন।কেউ নতুন মুসলমান হলে সাহাবীরা তাকে মুখস্ত করিয়ে দিতেন।


                      جمع القرآن في عهد أبي بكر

আবু বকরের জমানায় যখন مسلمة الكذاب এর বিরুদ্ধে ইয়ামানে যুদ্ধ হয়, তখন অনেক সাহাবী শহীদ হন। এর মধ্যে সত্তর জন হাফেজ ছিল। ওমর চিন্তিত হয়ে, আবু বকর রা. কে লেখার জন্য বললেন। অর্থাৎ তিনি (মাশওয়ারা) বললেন।প্রথমে আবু বকর বললেন, أنا لا أفعل ما فعل رسول الله আবু বকর পরে বললেন, شرح الله صدري على ما قال عمر এরপর ৬৩২ সালে একত্রিত হয়ে كاتب الوحي যায়েদ বিন সাবিত লিখতে শুরু করলেন।তিনি যাচাই বাছাই করা হাফেজ ছিলেন। তারপরও তিনি যাদের কাছে লেখা ছিল,সেগুলোকে জমা করলেন।তিনি  হাফেজদের সামনে রেখে লিখতেন। এরপর ওমর রা কে দেখাতেন,তারপর সেটা পরিপূর্ণ লেখা হতো।


                     جمع القرآن على عهد عثمان

আবু বকরের যামানায়,ওমরের যামানায় আস্তে আস্তে ইসলামের বিজয় হতে লাগলো। এতে বহু মানুষ মুসলমান হতে লাগলো। পুনরায় কুরআন লিপিবদ্ধ করার জরুরত হলো,তখন উসমান রা এর যামানায় কুরআন কে على لغة القريش এ লেখা হলো। এবং সকল সাহাবী  سبعة حروف এর উপর একমত হয়।

এলপুর হাজ্জাজ বিন ইউসুফ এর যামানায় نحو ও صرف এর বিভিন্ন প্রকার ঠিক করলেন। বর্তমান আমাদের সামনে যে নুসখা আছে,তা হলো نسخة عثمان.

কুরআন সর্বপ্রথম ১৭ই রমজান ছয়শত দশ খ্রিস্টাব্দে ১৭ ই আগস্ট রোজ সোমবার হেরা গুহায় হুজুরে পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর উপর নাযিল হয়। পুরো কুরআন নাযিল হতে সময় লেগেছে ২২ বছর ৫ মাস ১৪ দিন।

আল্লাহ তাআলা কুরআনে পাকের হেফাজতের  জিম্মাদার নিয়েছেন।তাই তিনি অনেক আয়াত নাযিল করেছেন: إنا نحن نزلنا الذكر وإنا له لحافظون

সর্বপ্রথম আয়াত নাযিল হলো সূরা আলাকের প্রথম পাঁচ আয়াত।আর শেষ আয়াত নাযিল হয় : واتقوا يوما ترجعون فيه إلى الله

কুরআনের আলোচ্য বিষয় হলো, আকাইদ,আহকাম, আখলাক, موعظة.

এখন একটা প্রশ্ন হল, কুরআন আবার একত্রে নাযিল হলো না কেন? কাফেররা তো জিজ্ঞেস করেই বলেছে,,,,,,,,,,, আল্লাহ কুরআনের আয়াত নাযিল করলেন: و قال الذين كفروا لولا أنزل عليه القرآن جملة واحدة كذلك ، لنثبت به فؤادك ورتلناه ترتيلا ولا يأتونك بمثل إلا جئناك بالحق وأحسن تفسيرا

কুরআন একত্রে নাযিল না হওয়ার কারণ হলো:

ইমাম রাজী রহিমাহুল্লাহ বলেন: যদি পুরো কুরআন একত্রে নাযিল হতো, তাহলে নবীর জন্য কষ্টসাধ্য হয়ে যেত, কারণ তিনি ছিলেন أمي. 

২. একত্রে নাযিল হলে হুকুম আহকাম মানা কষ্টসাধ্য হয়ে যেত।

৩. কুরআন কাফেরদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দিত।

৪. কাফেররা রাসূলকে অনেক কষ্ট দিত,তখন কুরআন নাযিল হয়েছে।


                              فضائل الفاتحة

قال رسول الله صلى الله عليه وسلم في فاتحة الكتاب شفاء من كل داء. رواه الدارمي والبيهقي  في شعب الإيمان

যে ব্যক্তি ঘুমানোর সময় সুরা ফাতেহা এবং সূরা ইখলাস পড়ে নিজের উপর দম করবে,মৃত ব্যতীত সকল বালা মুসিবত থেকে সে নিরাপদ থাকবে।

হাসান বসরী রহিমাহুল্লাহ বলেন,যে ব্যক্তি সূরা ফাতিহা পাঠ করল, সে যেন তাওরাত,ইঞ্জিল, যাবূর, কুরআন পাঠ করল।

শয়তান ৪ বার নিজের উপর মাটি নিক্ষেপ করে।

 এক. যখন তাকে লানত করা হয়।

 দুই. যখন তাকে আসমান থেকে দুনিয়াতে নিক্ষেপ করা হয়।

তিন. যখন হুজুর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম নবুওয়াত লাভ করেন 

চার.আর যখন সূরা ফাতিহা নাযিল হয়।

ওলামায়ে কেরাম বলেন: ইসমে আযম পড়ার দুই তরীকা। এক হল:ফজরের সুন্নত ও ফরজ নামাজের মাঝে সুরা ফাতিহা ৪১ বার করে ৪০ দিন পড়া।

 দ্বিতীয় হলো: চাঁদের প্রথম রবিবার ৭০ বার করে সূরা ফাতিহা পড়া।পর্যায়ক্রমে কমতে থাকবে।


                                فضائل بسم الله

 قال عبد الله بن مسعود: «من أراد أن ينجيه الله تعالى من الزبانية التسعة عشر، فليقرأ بسم الله الرحمن الرحيم فإنها تسعة عشر حرفًا، ليجعل الله كل حرف منها جنة من واحد منهم

যে ব্যক্তি কোন মাকসুদ হাসিল করতে চায়, সে যেন ১২ হাজার বার بسم الله الرحمن الرحيم পড়ে এবং প্রত্যেক এক হাজার পড়ার পর দুই রাকাত করে নফল নামাজ পড়বে।

* একবার রোমের সম্রাট আমিনুল মুমিনীন হযরত ওমর রা. এর কাছে চিঠি পাঠালেন যে,তার মাথাব্যথা করছে।তখন আমিরুল মুমিনীন একটি টুপি পাঠালেন, এবং বললেন, এই টুপি যতক্ষণ তার মাথায় থাকবে, ততক্ষণ ব্যাথা থাকবে না। আর এই টুপি মাথা থেকে সরালেই, ব্যথা শুরু হয়ে যাবে।পরবর্তীতে যাচাই করে দেখা গেল যে, এর মধ্যে بسم الله লেখা আছে।


                             أهمية بسم الله

জাহেলিয়াতের যুগে লোকেরা কোন কাজ শুরু করার পূর্বে, দেবদেবীর নাম নিয়ে কাজ শুরু করতো। তো জিব্রাইল আলাইহিস সালাম, এই প্রথা দূর করার জন্য আল্লাহ তাআলার পক্ষ থেকে এই বাণী নিয়ে এসেছেন যে إقرا باسم ربك. এইজন্য প্রত্যেক জিনিসের শুরুতে বিসমিল্লাহ পড়তে হয়। এক হাদীসে এসেছে, যদি কেউ       কোনো কাজের শুরুতে বিসমিল্লাহ না পড়ে, তাহলে ঐ কাজটা হবে লেজ কাটা।

: للاسم لغة ثلاثة معان 

١. الضم : ضم بسم الله عبده إلى ربه  

٢. استعانة : العبد تستعين بالله في كل عمل 

٣.البركة : في كل عمل بركه


                          هل بسم الله آية أم لا

مسئلة : بسم الله آيه . لا تأخذ الا بالطهور .  أعوذ بالله وبسم الله في الصلاة وغير الصلاة تلاوة القرآن سنة إجماعا وفي العمل فقد بسم الله


                               تفسير الفاتحة

الحمد لله : দুনিয়াতে সব কিছুর প্রশংসা করা হয় প্রকৃতপক্ষে আল্লাহ তাআলারই। যেমন : চিত্রের প্রশংসা করা মানে, চিত্রকারের প্রশংসা করা । সুতরাং তারই ইবাদত করতে হবে।

مالك يوم الدين : ভালো-মন্দ, প্রতিদান দেওয়ার দিবসের মালিক।সুতরাং তিনি সমস্ত প্রতিদানের মালিক হতে পারেন, যিনি কর্ম ক্ষেত্রে সকল কিছুর মালিক হতে পারেন। যেমন কারখানা। তাই দুনিয়ার যত কিছুর মালিক হয় না কেন,তাহল ক্ষণস্থায়ী মালিক। জ্বলন্ত প্রমাণ হলো:চাহিদা মাত্র দিতে বাধ্য থাকিবেন।

আরবের রাখালরা : لله في يدي 

إياك نعبد وإياك نستعين : অতীত, বর্তমান, ভবিষ্যৎ।

العبودية: إظهار التذلل . العبادة أبلغ منها لأنها غاية التذلل ولا يستحقها الإمن له غاية الإفضال وهو الله ألا تعبدوا إلا إياه

অবনত হওয়া

عبد : * صفة عبودية

عبد সম্পর্কে কিছু আয়াত : أذكر عبدنا أيوب إنه كان عبدا شكورا 

نزل الفرقان على عبده / على عبده الكتاب/  إن عبادي ليس لك عليهم سلطان/ كونوا عبادا لي/ إلا عبادك منهم المخلصين/ وعباد الرحمن يمشون / سبحان الذي أسرى بعبده

ইমাম গাজালী (রহ) বলেন: শুধু নামাজ আর রোজার নাম ইবাদত নয়। তিনি তার কিতাব أربعين নাতে ১০  প্রকার ইবাদতের কথা উল্লেখ করেছেন ।

১.নামাজ ২.যাকাত ৩.রোজা ৪.কুরআন তেলাওয়াত ৫.আল্লাহর জিকির ৬.হালাল উপার্জন ৭.প্রতিবেশীর হক পরিশোধ করা ৮.সৎ কাজের আদেশ করা ৯.অসৎ কাজে নিষেধ করার ১০.সুন্নত মোতাবেক জীবন যাপন করা

اهدنا الصراط المستقيم : হেদায়েত অর্থ হল পথ দেখানো।এটা সাধারণ ও ব্যাপক।

সূরা বাণী ইসরাঈল : وإن من شيء إلا يسبح بحمده ولكن لا تفقهون تسبيحهم

 ألم تر أن الله يسبح له من في السماوات والأرض والطير صافات ، كل قد علم صلاته وتسبيحه والله عليم بما يفعلون


                                   

Comments

Popular posts from this blog

“দ্বীনের দীপ্তি: ইসলামের মূল শিক্ষা”

স্মৃতির প্রাঙ্গণ ও মাধুর্যের ঋণ

📘 প্রথম সাময়িক পরীক্ষার প্রস্তুতি