শরহে বেকায়া,প্রাথমিক গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা
সংকলনে : মুহাম্মদ মুনীরুজ্জামান ত্বলহা
ভূমিকা
শরহে বেকায়া (২ নাম্বার খন্ড) এই কিতাবের দরস এই বছর নিয়েছিলেন বরীশালি হুজুর।তিনি অনেক গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা করেছেন বিভিন্ন বিষয়ে, বিভিন্ন জায়গায়। সেগুলোকে ইনশাআল্লাহ যতটুকু সম্ভব একত্র করার চেষ্টা করছি। আল্লাহ তৌফিক দান করুন আমীন।
প্রথম দিন হুজুর আমাদের সামনে আলোচনা করেন:
আমাদের সামনে এখন যে কিতাবটি আছে,এটা الفقه الاسلامي.এটা ব্যাপক معنى নয়, বরং خاص খাস معنى নিতে হবে।
الفقه এর আভিধানিক অর্থ الفهم العميق. আর فن হচ্ছে الفقه الاسلامي
এখানে আলোচনার বিষয় হলো الفقه এর আভিধানিক অর্থ الفهم. কিন্তু আমরা যে صوم পালন করি,صلاة আদায় করি, আল্লাহর কত বান্দা ربا গ্রহণ করে, এগুলো তো ফিকহের অন্তর্ভুক্ত বিষয়। কিন্তু ফিকহের যে আভিধানিক সংজ্ঞা الفهم, এর সাথে মিলে না।কারণ صوم ، صلاة ، ربا এগুলো হলো কাজ। এগুলো হলো فعل । এগুলো فهم নয়।তাহলে বোঝা গেল, বাস্তবতার রুপ হচ্ছে কাজের মাধ্যমে।تنفيذ হচ্ছে فعل . এবং فعل ও فهم এক বিষয় নয়।যেহেতু الفقه এর আভিধানিক অর্থের সাথে صوم ، صلاة ، ربا মিলে না, এগুলো فعل হওয়ার কারণে।তাই নামটা কে যদি পরিবর্তন করে দেওয়া যেতো,তাহলে মিলে যেতো। সুতরাং الفقه الاسلامي এর পরিবর্তে যদি العمل الاسلامي অথবা الفعل الاسلامي দেওয়া হতো,তাহলে আর ইশকাল থাকত না।
এইতো হলো আভিধানিক অর্থ নিয়ে কিছু আলোচনা। আভিধানিক অর্থের দিক লক্ষ্য করে আমরা ফিকহ কে ফিকহ বলতে পারি না।
আর الفقه এর শরয়ী তারীফ বা পারিভাষিক অর্থ হলো: العلم بالأحكام الشرعية العملية المكتسبة من أدلتها التفصيلية
এখানে যে العملية কাজ এটা جوارح এর।قلب এর নয়।جوارح মানে বিভিন্ন অঙ্গপ্রত্যঙ্গের মাধ্যমে কাজটা সম্পাদন করা। এখানে قلب এর কোনো বিষয় নেই।
তো এগুলোকে শরীয়তে ফিকহ বলে। কিন্তু আভিধানিক অর্থে ফিকহ বলে না।
ফিকহের আভিধানিক ও পারিভাষিক অর্থ বয়ান করার পর ফিকহের বিভিন্ন স্তর নিয়ে আলোচনা করেন।
এই ফিকহ পর্যন্ত পৌঁছার অনেক স্তর রয়েছে।যেমন আমরা শুরু থেকেই কিন্তু মাসআলার কিতাব পড়া শুরু করি।تعليم الاسلام ، ما لا بد منه ، الفقه الميسر সাধারণত এগুলোই আমরা শুরুতে পড়ে থাকি। এগুলোও ফিকহের কিতাব, কিন্তু فقه مجرد عن دليل . এখানে বিন্দুমাত্র দলিল সম্পর্কে আলোচনা করা হবে না। শুধুমাত্র মাসআলা আলোচনা করাই এখানে মূল বিষয়।তারপর আমরা একটু উপরের কিতাব পড়া শুরু করি। مختصر القدوري ، كنز الدقائق ، شرح الوقاية এই কিতাবগুলোও ফিকহের কিতাব। কিন্তু এগুলো من وجه * فقه مجرد مجرد عن دليل : من وجه * فقه مدلل.
এক বিবেচনায় এই কিতাবগুলো দলীলমুক্ত ফিকহের কিতাব।আরেক বিবেচনায় এই কিতাবগুলো দলীলযুক্ত ফিকহের কিতাব।।
* كنز الدقائق সম্পর্কে কিছু কথা বলি: এই কিতাবের মধ্যে فقه مجرد টা খুব غالب .আর فقه مدلل টা مغلوب.এই কিতাবে দলীল আছে ঠিক, কিন্তু وجه استدلال নেই। كنز الدقائق যেহেতু এর মধ্যে فقه مجرد টা غالب তাহলে আমরা বলতে পারি تجريد فقه عن دليله ..
* আর شرح الوقاية কিতাবটিকে আমরা تساوي বলতে পারি। আবার تجريد এর দিকটাও غالب.মানে غَلَبَ تجريده دليلَه .
* আর হেদায়া পুরোটাই فقه مدلل.
তাহলে আমরা فقه এর দুইটি দিক জানতে পারলাম। একটি হল فقه مجرد আরেকটি হলো فقه مدلل.
ফিকহের আরো একটি দিক রয়েছে,সেটি হলো فقه مقارن মানে হলো 'তুলনামূলক বিশ্লেষণ'। أئمة দের যে ইখতেলাফ রয়েছে, এগুলোর দলীল হুকুমের সাথে।
দলীলের সাথে হুকুমের কী মিল? এগুলো এখানে আলোচনা করা হয়ে থাকে।
মূলত এই তিন প্রকারই ভাগ।فقه مجرد ، فقه مدلل ، فقه مقارن..
একটা কথা খেয়াল রাখি: একজন শিশুর عقل আছে কিন্তু সে معدوم الفهم .আর الفهم না থাকার কারণেই عقل টা প্রকাশ হচ্ছে না।আর بلوغ এর আগ পর্যন্ত সে معدوم الفهم থাকে। ঠিক তেমনিভাবে فقه مقارن বোঝার জন্য فهم লাগবে, কিন্তু এখন তোমরা যে অবস্থানে আছ,সেটা معدوم الفهم এর অবস্থানে। عقل তো আছে,তবে الفهم না থাকার কারণে عقل টা বুঝা যাচ্ছে না।তাই ঐ পর্যন্ত পৌঁছাতে কিছুটা সময় দরকার।فقه مقارن কোনো সহজ বিষয় নয়,এটা জটিল একটা বিষয়।এটা বুঝার জন্য প্রচুর পরিমাণে فهم প্রয়োজন।معدوم الفهم অবস্থায় এটা বোঝা কখনও সম্ভব নয়।
* তো আমাদের সামনে যে কিতাবটি শরহে বেকায়া। এটা হলো فقه مجرد এর সর্বশেষ সিড়ি।আর সামনে যেহেতু হেদায়া কিতাব পড়ব,তাই فقه مدلل বলতে পারি।যেহেতু হেদায়া পুরোটাই فقه مدلل. আর আগেই বলেছি শরহে বেকায়া হলো تساوي .
* হযরত আলী রা কে জিজ্ঞেস করা হলো: হুজুর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আপনাকে কী দিয়েছেন তখন তিনি উত্তরে বললেন: সবার যা আছে,আমারও তাই আছে।তবে আমার إلا الفهم কুরআন সুন্নাহর বুঝ রয়েছে।
সুতরাং ফিকহ বুঝতে فهم এর প্রয়োজন।এটা হযরত আলী রা এর জবাব থেকে আমরা বুঝেছি।তাই আমরা বলতে পারি: فهم أئمة اسلامية في الكتاب والسنة এটাই হলো الفقه الاسلامي.
এখন আমরা দেখব: এই বুঝ অর্থাৎ فهم বিষয়টা আসলে কী? কখন فهم লাগবে।আর কখন লাগবে না।মানে হলো: এমন আয়াত আমার সামনে আসবে,যেগুলো দেখলে এমনিতেই বুঝে আসবে,এই আয়াত দ্বারা কী উদ্দেশ্যে। এখানে বুঝের কোনো অংশ থাকবে না।আর কিছু আয়াত থাকবে, সেগুলো এমনিতেই বুঝে আসবে না। বরং চিন্তা-ফিকির করে বুঝতে হবে।
যেমন এই আয়াতগুলো : ، أحل الله البيع وحرم الربا
أقم الصلاه وآتوا الزكاة ، كتب عليكم الصيام ، الحج أشهر معلومات ، للذكر مثل حظ الانثيين ، يا أيها الذين آمنوا لا تقربوا الصلاة ، ولله على الناس حج البيت
এই আয়াতগুলো কী বলতে চাচ্ছে।এটা কাউকে নতুন করে বুঝানোর প্রয়োজন নেই।কারণ এটা এমনিতেই বুঝা যায়।তারপর হুজুর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের একটা হাদিস: بني الاسلام على خمس
এই সব কথা স্পষ্ট।কোনোটাই অস্পষ্ট নয়। এবং এগুলো অনেক বিস্তারিত। নসের দাবি অনুযায়ী তো সবাই বুঝে।তবে এই বুঝের মধ্যেও অবশ্যই অনেক পার্থক্য ও ব্যবধান রয়েছে।নয়ত আলেম আর জাহেল তো এক হয়ে যাবে। العالم والجاهل سواء হয়ে যাবে।কারণ আলেম এটা বুঝার ক্ষেত্রে অনেক গুরুত্ব দিবে। কিন্তু জাহেল সে এটাকে কতটুকু গুরুত্ব দিবে। সুতরাং বোঝা গেলো,العالم والجاهل দুইজনই বুঝে। কিন্তু দুজনের বোঝার মধ্যে অনেক পার্থক্য আছে।যদি পাল্লা একই থাকে,তাহলে দুজনের মাঝে পার্থক্য কোথায় থাকবে।
যদি বলা হয়,এই পানি আন।তো সবাই একই কথাই বুঝবে।চাই বাচ্চা কিংবা বড় কেউ।পানি আনার কথাই সবাই বুঝতে পারবে।তবে একটু পার্থক্য হবেই,বড় এবং ছোট এর মাঝে।যেহেতু বাচ্চা,সেহেতু সাধারণ এই পানি আনার ক্ষেত্রেও তার বুঝের কিছুটা হলেও কমতি থাকবে।
তবে সাধারণ দাবি অনুযায়ী সবাই এটাই বুঝে যে পানি আনতে হবে।
যেহেতু উপরোক্ত আয়াতগুলোতে বুঝার কিছু নেই।অথবা বুঝের কোনো অংশ নেই।এমনিতেই বুঝে আসার কারণে। শোনামাত্রই বুঝে আসার কারণে।তাই এই আয়াতগুলোকে فقه বলা হবে না। এখানে বুঝের কোনো অংশ নেই।এটা সাধারণ বুঝ।এটা فهم العميق নয়।
* সাধারণ দাবি অনুযায়ী فهم আলেম- জাহেল সবারই আছে কম-বেশি।
আবার এমন কিছু নস আছে,যেগুলো বুঝার জন্য فهم এর প্রয়োজন।فهم ছাড়া এই নসগুলো কোনোভাবেই বুঝা সম্ভব নয়।যেমন : বলা হলো,বাজারে যাও, কিছু নিয়ে আস।তো কী নিয়ে আসবে।এটা বুঝার জন্য অবশ্যই তাফসীর এবং بيان প্রয়োজন।
যেমন: يتربصن بأنفسهن ثلاثة قروء এই আয়াতে قروء এর মধ্যে অস্পষ্টতা।কারণ সে দুই অর্থের معنى এর احتمال রাখে।حيض এবং طهر.এখন কোনটা হবে এখানে,এটা বুঝার জন্য অবশ্যই الفهم العميق প্রয়োজন।যার মধ্যে ভাষা সম্পর্কে জ্ঞান আছে,সে অবশ্যই প্রশ্নবিদ্ধ হবে।
ثلاثة শব্দের যে مدلول বা دلالة এটা حيض বা طهر এই দুইটার কোনটার মধ্যে পরিপূর্ণ পাওয়া যায়,এটা দেখতে হবে। আবার و أنزلنا إليك الكتاب لتبين للناس সুতরাং সুন্নাহ ও দেখতে হবে।এটাকে বুঝতে হলে الفهم المطلق যথেষ্ট নয়। বরং الفهم العميق প্রয়োজন।এটাই فقه.আর فقه ছাড়া এটা বুঝা কখনও সম্ভব নয়।
আরেকটি আয়াত: فاغسلوا وجوهكم
এখানে সাধারণ দাবি অনুযায়ী বুঝে আসে,ধোয়া। তবুও প্রশ্ন উঠবে যে চেহারা কতটুকু ধুবে?কী পরিমাণ ধুবে?তার সীমা কতটুকু? অথচ চেহারা হলো ما بين العذار و الأذن আর আমরা চেহারা বলতে বুঝি ما يواجه به الناس এখন আমি কোনটা নির্বাচন করব ধোয়ার জন্য।যেটা দেখি সেটা নাকি কপাল থেকে থুতনি পর্যন্ত।
আবার وأيديكم إلى المرافق এখানে المرافق শামিল কিনা,এটা নিয়ে প্রশ্ন। অর্থাৎ المرافق ধোয়ার অন্তর্ভুক্ত কি-না?এই ইখতেলাফ কে উসুলে ফিকহের পরিভাষায় ظني الدلالة বলে।আর যেখানেই ظني , সেখানেই فقه.
আর যেখানে কোনো ইখতেলাফ নেই,এটাকে قطعي الدلالة বলে।ظني মানে দুই দিকেই টান আছে,যার শক্তি আছে,সেই টেনে নিয়ে আসবে।আর قطعي এক দিকেই।কোনো সন্দেহ নেই।
أحكام قعية - যেখানে কোনো ইমামের ইখতেলাফ নেই,সেই স্থানে ফিকহের কোনো স্থান নেই।আর যেখানেই ইখতেলাফ রয়েছে, সেখানেই فقه ও فهم এর প্রয়োজন।আর ইখতেলাফ কেন সৃষ্টি হয়? একাধিক অর্থের সম্ভাবনার কারণে মূলত ইখতেলাফ সৃষ্টি হয়।আর এই একাধিক অর্থ সৃষ্টি করেছে أهل اللغة.
شارع নয়।شارع বলা হয় আল্লাহ এবং তাঁর রাসূলকে।
* والوالدات يرضعن - এখানে يرضعن শব্দটি إخبار নাকি وجوب . যদি এখানে إخبار ধরি,তাহলে তো ইচ্ছা,চাইলে দুধ পান করাতেও পারে,আবার নাও পারে।আবার যদি أمر ধরি,তাহলে হবে وجوب . এখানে আয়াতের ভঙ্গীমা বা أسلوب এর দাবি অনুযায়ী দুইটি বিষয় উঠে এসেছে।ভাষাবিদরা এখানে সমস্যা সৃষ্টি করেছে।
শরয়ী তারীফ: العلم بالأحكام الشرعية العملية المكتسبة من أدلتها التفصيلية এই তারীফ কাদের জন্য।এই তারীফ মুকাল্লিদদের জন্য তাদের নেই فهم.সে শুধু অনুসরণ করবে আর আমল করবে।তাকে الفهم العميق নিয়ে চিন্তা করতে হবে না। তুমি শুধু আমল করবে। কিন্তু যদি عالم متبحر হয়,অথবা مجتهد হয়,তাহলে তার জন্য فقه ঐ টাই যা সে বের করেছে। অর্থাৎ: الفهم العميق.যে চিন্তা করেছে,তারটা আমল করতে হবে।আসল ফিকহ হলো الفهم العميق.ফিকির করাকেই মূলত فقه বলে।
এখন আমরা تبعا একটা জবাব দিব:
প্রশ্ন হলো: ফিকহের মধ্যে এত ইখতেলাফ কেন?
আগে আমাদের বুঝতে হবে যে قطعي এর মধ্যে ফিকহের কোন দখল নেই।আর আমরা যেগুলো পড়ি, সেগুলো হলো ظني.আমরা قطعي বিষয়গুলো পড়ি না।
قطعي বিষয়ে বয়ানের প্রয়োজন পড়ে না। আমাদের এই দরসেও قطعي বিষয় নিয়ে আলোচনা নয়।আমরা এখানে فقه أبي حنيفة পড়ব।এতেই বুঝা গেল,আরো অন্যান্য ইমামদেরও ফিকহ রয়েছে । এবং এটা ظني الدلالة.
قطعي ও ظني বিষয়কে সামনে নিয়ে আসলে قطعي ভারী হয়ে যাবে। এবং ظني হালকা হয়ে যাবে। কিন্তু আমরা قطعي বিষয়গুলো না জানার কারণে বিভিন্ন প্রশ্ন করি।এত ইখতেলাফ কেন?এত ইখতেলাফ কেন?এই প্রশ্ন ঠিক নয়।আমরা আলোচনা করি সবসময় ظني বিষয় নিয়ে,তাই মনে হয়,অনেক ইখতেলাফ।আসলে قطعي তো ظني এর থেকে অনেক বেশি। উদাহরণস্বরূপ: একটা লোক মনে করে,এত ঝগড়া কেন,এত ঝগড়া কেন? পুরো দুনিয়াটাই কেমন যেন ঝগড়া।কারণ হলো,সে তো শুধু ঐ জায়গাতেই থাকে।আর সে যেখানে থাকে, সেখানে কেবল ঝগড়া হতেই থাকে। ঠিক আমাদের বিষয়টাও: আমাদের সামনে শুধু ظني , তাই মনে করি শুধু ইখতেলাফ।আর قطعي বিষয়গুলো আমাদের সামনে নেই।
* 'বুঝ' হবে مدلل এর সাথে,بصيرة এর সাথে।আর যদি এটা না হয়,তাহলে বুঝতে হবে , হয়ত 'বুঝটা' হচ্ছে تكليف এর সাথে ।
* বুঝ ও বিশ্বাস এক নয়। বিশ্বাস হলো: বুঝলেও বিশ্বাস না বুঝলেও বিশ্বাস। বিশ্বাস মানে কোন কথাকে تسليم করে নেওয়া।আর 'বুঝ' হলো مصلحة এর সাথে বুঝা।
كتاب النكاح
نكاح মানে মিলানো। আভিধানিক অর্থে অর্থাৎ لغة এর معنى হলো ضم ، قرن.আবার انضمام ، اقتران হলো نكاح এর مرادف শব্দ। অর্থাৎ সবগুলোর অর্থ একই। ضم এর مرادف শব্দ হলো نكاح।
এগুলো সব لغة বা আভিধানিক অর্থে نكاح এর অর্থ। কুরআনে আছে: أحشروا الذين ظلموا وازواجهم এখানে أزواج হলো ضم এই অর্থে।
ضم মানে হলো : এক شيء আরেক شيء এর সাথে মিলানো। ضم এই আভিধানিক অর্থটি এখানে معنوي .
حسية নয়।
এখানে আমরা বুঝলাম যে, نكاح এর আভিধানিক অর্থ হলো ضم। কীভাবে ضم টি نكاح এর আভিধানিক অর্থ হতে পারল?
উত্তর হলো: ضم মানে মিলানো।সেই হিসেবে একজন পুরুষ এবং একজন মহিলার نكاح এর আগে علاقة বৈধ ছিল না। কিন্তু দুজনকে মিলানোর পর علاقة টা বৈধ হয়েছে। এটাকেই ضم বলে।এটা হলো نكاح এর لغوي অর্থ।
Comments
Post a Comment