আবার মাদ্রাসার প্রাঙ্গণে — এক অন্তরঙ্গ অনুভব
আলহামদুলিল্লাহ! অবশেষে বিরতির সোনালি দিনগুলো শেষে আবারও ফিরে চলেছি প্রিয় মাদ্রাসার প্রাঙ্গণে। এই ফেরা যেন শুধুই এক যাত্রা নয়—এ এক অনুভব, এক আত্মার আর্তি, এক হৃদয়ের বন্ধন যেখানে প্রতিটি ইট-পাথরে, প্রতিটি বারান্দা-করিডোরে, প্রতিটি তাক-জানালায় জড়িয়ে আছে আমাদের ইলমী জীবন, দ্বীনি আত্মশুদ্ধি ও তাকওয়ার সুবাস।
যদিও মাদ্রাসায় ফেরার পথটি আনন্দে ভরা, তবুও হৃদয়ের গভীরে লুকিয়ে আছে এক টুকরো কষ্ট—পরিবারের প্রিয় মুখগুলো, মায়ের আদরভরা ডাক, বাবার নরম পরামর্শ, ভাইবোনের হাসি—এসব যেন এক অদৃশ্য কান্নার মতো বুকের গভীরে ঢেউ তোলে। এ ছাড়াও বন্ধুদের হাসি, আড্ডা, বিকেলের পথচলা—এসব ফেলে যাওয়া চিরকালই সহজ নয়।
হ্যাঁ, সময় বয়ে চলে। গত বৃহস্পতিবার এসেছিলাম, আর আজ আবার বৃহস্পতিবার—ঠিক এক সপ্তাহ পেরিয়ে গেলো। মুহূর্তগুলো যেন বিদ্যুৎগতিতে উড়ে গেল। কিন্তু তবুও বলতে হয়, এই সময়টা অনেক কিছু শিখিয়েছে, অনেক কিছু চিনিয়েছে। এই পুরো সময়কে আমি চেষ্টা করেছি যথাসম্ভব কাজে লাগাতে। ইনশাআল্লাহ আগামী পোস্টে এই বিরতির দিনগুলোর স্মৃতিময় দিনলিপি তুলে ধরবো—“বিরতিতে কেটেছে যেভাবে আমার দিনগুলো”—এই শিরোনামে।
হে আল্লাহ! তুমি আমাদের এই ইলমের সফরকে কবুল করে নাও। যারা আমাদের প্রিয় মাদ্রাসার পথে রওনা হয়েছেন, তাদের সবাইকে সহীহ সালামতির সঙ্গে প্রাঙ্গণে পৌঁছার তাওফিক দান করো। এই ফিরে আসা হোক হিদায়াতের, এই পদচারণা হোক জান্নাতের দিকে এক দৃঢ় পদক্ষেপ।
আমীন।
— মুহাম্মদ মুনীরুজ্জামান ত্বলহা, দ্বীনের দীপ্তি
Comments
Post a Comment