বন্ধুত্ব, বার্গার ও বারান্দার সবুজে

বন্ধুত্ব, বার্গার ও বারান্দার সবুজে

আলহামদুলিল্লাহ! অবশেষে বহুদিন পর আবার আমি ও মাহদী ভাই একসাথে একটি মনোরম সন্ধ্যা কাটালাম। আজ বৃহস্পতি বারের রাত—একটু হালকা মেজাজ, একটু বাড়তি আনন্দ যেন মনটাকে আলাদা প্রশান্তি দিয়েছিল।

আমরা গিয়েছিলাম পানসি রেস্টুরেন্টে। সেখানে চিকেন বার্গার উইথ চিজ খেলাম। প্রতিটি বার্গার ছিল এক ফিট লম্বা, দাম ছিল ১৮০ টাকা করে। দুজনে মিলে মোট ৩৬০ টাকার বার্গার খেলাম—মাশাআল্লাহ! স্বাদে ছিল ভরপুর তৃপ্তি, আর বন্ধুত্বের হাসিতে ছিল প্রশান্তির ছোঁয়া।

“স্বাদ শুধু জিভে নয়, সঙ্গীর ভালোবাসা ও স্মৃতিতে লুকিয়ে থাকে।”

বিকালে আমরা দুজনেই মাদরাসার আশেপাশে একটু ঘুরে এলাম। সবুজ গাছ-গাছালি, ফসফসে ঘাস, আর হালকা বাতাস—সব মিলিয়ে এক মনোমুগ্ধকর পরিবেশ। মনে হচ্ছিল, প্রকৃতি যেন হৃদয়কে জাগিয়ে তুলছে। পাখির ডাক, গাছের নীরব ছায়া—সব কিছু দেখে মনটা ভরে গেল আলহামদুলিল্লাহ!

এই ঘোরাফেরা আমাদের কাছে নতুন কিছু না। কারণ, আমরা পূর্বে ছয় বছর একসাথে পড়েছি—হাসি-কান্না, পড়ালেখা, ইবাদত—সবই একসাথে করেছি। আর এখন আবার মেশকাত ক্লাসে একসাথে ভর্তি হয়েছি। আল্লাহর কত বড় নিআমত! আল্লাহ যেন আমাদের বন্ধুত্বকে দুনিয়ার এবং আখিরাতের জন্য কবুল করে নেন।


✍️ মুহাম্মদ মুনীরুজ্জামান ত্বলহা

Comments

Popular posts from this blog

“দ্বীনের দীপ্তি: ইসলামের মূল শিক্ষা”

স্মৃতির প্রাঙ্গণ ও মাধুর্যের ঋণ

📘 প্রথম সাময়িক পরীক্ষার প্রস্তুতি